ঢাকা ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

মোগল আমল থেকে বর্তমান: ঢাকার রমজানের বর্ণিল বিবর্তন ও ঐতিহ্য

মোগল সুবাদার ইসলাম খান চিশতীর হাত ধরে যখন ঢাকা রাজধানী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে, তখন থেকেই এই জনপদে উৎসব ও ঐতিহ্যের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়। প্রশাসনিক ও সামরিক কর্মকাণ্ডের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে ঢাকা হয়ে ওঠে এক প্রাণবন্ত নগরী। সেই মোগল আমল থেকেই ঢাকার রমজান পালনে ছিল রাজকীয় আভিজাত্য ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের এক অনন্য সমন্বয়। সময়ের পরিক্রমায় শহরের সীমানা বেড়েছে, নাগরিক জীবনে এসেছে পরিবর্তন, কিন্তু ঢাকার রমজানের সেই রঙিন আমেজ আজও অমলিন রয়ে গেছে।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, মোগল আমলে রমজানের চাঁদ দেখা গেলে কামানের তোপধ্বনির মাধ্যমে মাসটিকে স্বাগত জানানোর রেওয়াজ ছিল। এই ঐতিহ্য পরবর্তীকালে ঢাকার নবাবদের আমলেও বজায় ছিল। মোগলদের শিল্পমনস্কতা, উন্নত রুচির পোশাক এবং বিলাসী খাদ্যাভ্যাস ঢাকার স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে রমজানের আয়োজনকে করেছে আরও সমৃদ্ধ। প্রায় সাড়ে চারশ বছরের বিবর্তনে ঢাকার রমজান কেন্দ্রিক উৎসবে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগলেও এর মূল সুরটি আজও ঐতিহ্যের ধারক হয়ে টিকে আছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণমাধ্যমের বিকাশ ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে দুদিনব্যাপী জার্নালিজম কনফারেন্স শুরু

মোগল আমল থেকে বর্তমান: ঢাকার রমজানের বর্ণিল বিবর্তন ও ঐতিহ্য

আপডেট সময় : ১১:১৮:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

মোগল সুবাদার ইসলাম খান চিশতীর হাত ধরে যখন ঢাকা রাজধানী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে, তখন থেকেই এই জনপদে উৎসব ও ঐতিহ্যের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়। প্রশাসনিক ও সামরিক কর্মকাণ্ডের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে ঢাকা হয়ে ওঠে এক প্রাণবন্ত নগরী। সেই মোগল আমল থেকেই ঢাকার রমজান পালনে ছিল রাজকীয় আভিজাত্য ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের এক অনন্য সমন্বয়। সময়ের পরিক্রমায় শহরের সীমানা বেড়েছে, নাগরিক জীবনে এসেছে পরিবর্তন, কিন্তু ঢাকার রমজানের সেই রঙিন আমেজ আজও অমলিন রয়ে গেছে।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, মোগল আমলে রমজানের চাঁদ দেখা গেলে কামানের তোপধ্বনির মাধ্যমে মাসটিকে স্বাগত জানানোর রেওয়াজ ছিল। এই ঐতিহ্য পরবর্তীকালে ঢাকার নবাবদের আমলেও বজায় ছিল। মোগলদের শিল্পমনস্কতা, উন্নত রুচির পোশাক এবং বিলাসী খাদ্যাভ্যাস ঢাকার স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে রমজানের আয়োজনকে করেছে আরও সমৃদ্ধ। প্রায় সাড়ে চারশ বছরের বিবর্তনে ঢাকার রমজান কেন্দ্রিক উৎসবে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগলেও এর মূল সুরটি আজও ঐতিহ্যের ধারক হয়ে টিকে আছে।