ঢাকা ১১:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

প্রাথমিকে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ ফের সচল, নিয়োগ হবে নতুন পদ্ধতিতে

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের স্থগিত হয়ে যাওয়া প্রক্রিয়াটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবে আগের মতো সরাসরি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে নয়, বরং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিশেষ ‘প্যানেল’ বা ‘ক্লাস্টার’ পদ্ধতিতে এই নিয়োগ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নতুন গতি সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এর আগে বিভিন্ন কারণে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করা হয়েছিল, যা নিয়ে দেশের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলোর মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রায় ২ হাজার ৫৮৩ জন সংগীত প্রশিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রতিটি ‘ক্লাস্টার’ বা ২০-২৫টি বিদ্যালয়ের জন্য একজন প্রশিক্ষক নিয়োজিত থাকবেন, যারা নির্দিষ্ট রুটিন অনুযায়ী প্রতিটি বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সংগীত শিক্ষা দেবেন। এতে করে সীমিত জনবল দিয়েই দেশের বিশাল প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় সাংস্কৃতিক চর্চা ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হবে।

এই পদ্ধতিতে শিক্ষকদের নির্বাচন করবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং তাদের বেতন-ভাতা প্রদান করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংগীতের পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষার প্রসারে প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টিও সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। তবে শারীরিক শিক্ষা পদের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট চাকরিপ্রার্থী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

২৬ দিন পর আবার চালু ইস্টার্ন রিফাইনারি, শুরু হচ্ছে জ্বালানি উৎপাদন

প্রাথমিকে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ ফের সচল, নিয়োগ হবে নতুন পদ্ধতিতে

আপডেট সময় : ১০:১৫:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের স্থগিত হয়ে যাওয়া প্রক্রিয়াটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবে আগের মতো সরাসরি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে নয়, বরং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিশেষ ‘প্যানেল’ বা ‘ক্লাস্টার’ পদ্ধতিতে এই নিয়োগ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নতুন গতি সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এর আগে বিভিন্ন কারণে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করা হয়েছিল, যা নিয়ে দেশের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলোর মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রায় ২ হাজার ৫৮৩ জন সংগীত প্রশিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রতিটি ‘ক্লাস্টার’ বা ২০-২৫টি বিদ্যালয়ের জন্য একজন প্রশিক্ষক নিয়োজিত থাকবেন, যারা নির্দিষ্ট রুটিন অনুযায়ী প্রতিটি বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সংগীত শিক্ষা দেবেন। এতে করে সীমিত জনবল দিয়েই দেশের বিশাল প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় সাংস্কৃতিক চর্চা ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হবে।

এই পদ্ধতিতে শিক্ষকদের নির্বাচন করবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং তাদের বেতন-ভাতা প্রদান করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংগীতের পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষার প্রসারে প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টিও সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। তবে শারীরিক শিক্ষা পদের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট চাকরিপ্রার্থী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা।