আরবি সাহিত্যের বিশাল ক্যানভাসে ঈদ কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং এটি কবিদের কল্পনা ও অনুভূতির এক বহুমাত্রিক প্রতিফলন। প্রাচীন ও মধ্যযুগের প্রখ্যাত কবিদের রচনায় ঈদের ভিন্ন ভিন্ন রূপ ফুটে উঠেছে। আব্বাসীয় যুগের মহাকবি আল মুতানাব্বির কবিতায় ঈদ এসেছে রাজকীয় শৌর্য ও মর্যাদার প্রতীক হিসেবে। অন্যদিকে, আন্দালুসিয়ার কবি ইবন জায়দুনের কাছে ঈদ ছিল প্রিয়জনের বিচ্ছেদ বেদনায় সিক্ত এক বিষাদময় স্মৃতি। আধুনিক যুগে ফিলিস্তিনি কবি মাহমুদ দারবিশের কলমে ঈদ হয়ে উঠেছে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা ও জাতীয় চেতনার এক বলিষ্ঠ হাতিয়ার।
আরবি কাব্যে ঈদের চাঁদ এক অনন্য প্রতীক হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে। দীর্ঘ সিয়াম সাধনার পর আকাশে উদিত সরু এক ফালি চাঁদ যেন আধ্যাত্মিক পুনর্জাগরণের বার্তা নিয়ে আসে। কবি ইবনুর রূমীর বর্ণনায় এই চাঁদ কখনো অভিজ্ঞ বৃদ্ধের শুভ্র ভ্রূ, আবার কখনো সংযমের সার্থকতা। অন্যদিকে ইবনুল মুতাযের কবিতায় ঈদের চাঁদ যেন এক রুপালি নৌকা, যা মানুষকে সামাজিক সম্প্রীতি ও মিলনের তীরে ভিড়তে আহ্বান জানায়। এভাবে যুগ যুগ ধরে ঈদ কবিদের অন্তরে আনন্দ, বেদনা এবং গভীর জীবনবোধের সঞ্চার করে আসছে।
রিপোর্টারের নাম 
























