ঢাকা ১২:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

ম্যানেজিং কমিটিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের সুযোগ নেই, বললেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনের ক্ষেত্রে নতুন নীতি অনুযায়ী শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের কোনো সুযোগ নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, বরং শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়টি ধাপে ধাপে যাচাই-বাছাই করা হবে। প্রথম ধাপে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), এরপর জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং সবশেষে তিনটি নাম সংশ্লিষ্ট বোর্ডে পাঠানো হবে।

শুক্রবার বিকেলে চাঁদপুরের কচুয়ায় নিজ নির্বাচনী এলাকায় এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি জানান, কয়েক ধাপে যাচাই-বাছাই করে যোগ্য, শিক্ষিত, সমাজসেবী এবং শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিদের ম্যানেজিং কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিদের বিশেষ অবদান থাকলেও তারা হয়তো ডিগ্রিধারী নন। এমন ডিপ্লোমাধারী প্রকৌশলী বা শিক্ষানুরাগীদের কীভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত করা যায়, সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, এ বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ে, যেমন সংসদ সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, কীভাবে ম্যানেজিং কমিটির গুরুত্ব বাড়িয়ে শিক্ষার মান উন্নয়ন করা যায়। কোথাও শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করার কথা বলা হয়নি। অনুষ্ঠানে কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান সভাপতিত্ব করেন এবং একাডেমিক সুপারভাইজার সোহেল রানা সঞ্চালনা করেন। এসময় কেন্দ্রীয় বিএনপির মহিলা দলের সহ-সভানেত্রী নাজমুন নাহার বেবী, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোসাদ্দেক হোসেন, কচুয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলী আশ্রাফ এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহীন আক্তার উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিএনপি সরকারের পাশে সর্বাত্মকভাবে থাকবে চীন: রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন

ম্যানেজিং কমিটিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের সুযোগ নেই, বললেন শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:২৪:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনের ক্ষেত্রে নতুন নীতি অনুযায়ী শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের কোনো সুযোগ নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, বরং শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়টি ধাপে ধাপে যাচাই-বাছাই করা হবে। প্রথম ধাপে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), এরপর জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং সবশেষে তিনটি নাম সংশ্লিষ্ট বোর্ডে পাঠানো হবে।

শুক্রবার বিকেলে চাঁদপুরের কচুয়ায় নিজ নির্বাচনী এলাকায় এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি জানান, কয়েক ধাপে যাচাই-বাছাই করে যোগ্য, শিক্ষিত, সমাজসেবী এবং শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিদের ম্যানেজিং কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিদের বিশেষ অবদান থাকলেও তারা হয়তো ডিগ্রিধারী নন। এমন ডিপ্লোমাধারী প্রকৌশলী বা শিক্ষানুরাগীদের কীভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত করা যায়, সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, এ বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ে, যেমন সংসদ সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, কীভাবে ম্যানেজিং কমিটির গুরুত্ব বাড়িয়ে শিক্ষার মান উন্নয়ন করা যায়। কোথাও শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করার কথা বলা হয়নি। অনুষ্ঠানে কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান সভাপতিত্ব করেন এবং একাডেমিক সুপারভাইজার সোহেল রানা সঞ্চালনা করেন। এসময় কেন্দ্রীয় বিএনপির মহিলা দলের সহ-সভানেত্রী নাজমুন নাহার বেবী, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোসাদ্দেক হোসেন, কচুয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলী আশ্রাফ এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহীন আক্তার উপস্থিত ছিলেন।