মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১২:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬

সুদানের আদালতে ড্রোন হামলায় নিহত ৩৫, আহত অনেকে

সুদানের পশ্চিম দারফুরে ড্রোন হামলায় অন্তত ৩৫ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। মানবাধিকার সংস্থা ইমার্জেন্সি লয়ার্স জানায়, রোববার স্থানীয় সময় দুপুর ১টার দিকে উত্তর দারফুর রাজ্যের গারা আল-জাওয়াইয়া গ্রামের একটি আদালতে সুদানি সেনাবাহিনী এই হামলা চালায়।

সংস্থাটি বলেছে, হামলার সময় বেসামরিক নাগরিকরা মামলার শুনানিতে অংশ নিতে জড়ো হয়েছিলেন। গ্রামটি আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে আরএসএফ প্রধান মোহাম্মদ হামদান দাগালো এবং তার সাবেক মিত্র, সুদানের সেনাপ্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহানের সমর্থকদের মধ্যে শুরু হওয়া যুদ্ধে এখন পর্যন্ত কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।

ইমার্জেন্সি লইয়ার্স জানিয়েছে, হামলায় স্থানীয় ও গোত্রীয় বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ব্যবহৃত ঐতিহ্যবাহী আদালতের ভবনটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিরাপত্তার কারণে নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক প্রত্যক্ষদর্শী বার্তাসংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘স্থানীয় সম্প্রদায়ের নেতাদের অংশগ্রহণে একটি গাছের নিচে আদালতের কার্যক্রম চলছিল’। তিনি আরো জানান, নিহতদের মধ্যে চারজন গোত্রপ্রধান এবং আরএসএফের দুইজন কমান্ডার রয়েছেন।

গারা আল-জাওয়াইয়া গ্রামটি দারফুরে সেনাবাহিনীর সর্বশেষ শক্ত ঘাঁটি এল-ফাশের থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার পশ্চিমে কাবকাবিয়া শহরের কাছে অবস্থিত। গত বছরের অক্টোবর মাসে রক্তক্ষয়ী অভিযানের পর আরএসএফ এল-ফাশের দখল করে। জাতিসংঘের তদন্তকারীরা বলেছেন, এল-ফাশের অবরোধ ও দখলকে ঘিরে আরএসএফের সহিংসতায় ‘গণহত্যার স্পষ্ট লক্ষণ’ দেখা গেছে। শহরটি দখলের পর আরএসএফ দারফুরের বেশিরভাগ অঞ্চলে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করে। সরকারি সমর্থনপুষ্ট কুখ্যাত জানজাওয়িদ মিলিশিয়া থেকে গড়ে ওঠা এই বাহিনীর বিরুদ্ধে ২০০০-এর দশকের শুরুতে দারফুরে ভয়াবহ নৃশংসতার অভিযোগ রয়েছে।

সুদানের পশ্চিম দারফুরে ড্রোন হামলায় অন্তত ৩৫ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। মানবাধিকার সংস্থা ইমার্জেন্সি লয়ার্স জানায়, রোববার স্থানীয় সময় দুপুর ১টার দিকে উত্তর দারফুর রাজ্যের গারা আল-জাওয়াইয়া গ্রামের একটি আদালতে সুদানি সেনাবাহিনী এই হামলা চালায়। সংস্থাটি বলেছে, হামলার সময় বেসামরিক নাগরিকরা মামলার শুনানিতে অংশ নিতে জড়ো হয়েছিলেন। গ্রামটি আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ২০২৩ সালের এপ্…

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অভিবাসন নীতিতে ট্রাম্পের ওপর মার্কিন জনআস্থার বড় ধস

সুদানের আদালতে ড্রোন হামলায় নিহত ৩৫, আহত অনেকে

আপডেট সময় : ১০:৩৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

সুদানের পশ্চিম দারফুরে ড্রোন হামলায় অন্তত ৩৫ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। মানবাধিকার সংস্থা ইমার্জেন্সি লয়ার্স জানায়, রোববার স্থানীয় সময় দুপুর ১টার দিকে উত্তর দারফুর রাজ্যের গারা আল-জাওয়াইয়া গ্রামের একটি আদালতে সুদানি সেনাবাহিনী এই হামলা চালায়।

সংস্থাটি বলেছে, হামলার সময় বেসামরিক নাগরিকরা মামলার শুনানিতে অংশ নিতে জড়ো হয়েছিলেন। গ্রামটি আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে আরএসএফ প্রধান মোহাম্মদ হামদান দাগালো এবং তার সাবেক মিত্র, সুদানের সেনাপ্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহানের সমর্থকদের মধ্যে শুরু হওয়া যুদ্ধে এখন পর্যন্ত কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।

ইমার্জেন্সি লইয়ার্স জানিয়েছে, হামলায় স্থানীয় ও গোত্রীয় বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ব্যবহৃত ঐতিহ্যবাহী আদালতের ভবনটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিরাপত্তার কারণে নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক প্রত্যক্ষদর্শী বার্তাসংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘স্থানীয় সম্প্রদায়ের নেতাদের অংশগ্রহণে একটি গাছের নিচে আদালতের কার্যক্রম চলছিল’। তিনি আরো জানান, নিহতদের মধ্যে চারজন গোত্রপ্রধান এবং আরএসএফের দুইজন কমান্ডার রয়েছেন।

গারা আল-জাওয়াইয়া গ্রামটি দারফুরে সেনাবাহিনীর সর্বশেষ শক্ত ঘাঁটি এল-ফাশের থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার পশ্চিমে কাবকাবিয়া শহরের কাছে অবস্থিত। গত বছরের অক্টোবর মাসে রক্তক্ষয়ী অভিযানের পর আরএসএফ এল-ফাশের দখল করে। জাতিসংঘের তদন্তকারীরা বলেছেন, এল-ফাশের অবরোধ ও দখলকে ঘিরে আরএসএফের সহিংসতায় ‘গণহত্যার স্পষ্ট লক্ষণ’ দেখা গেছে। শহরটি দখলের পর আরএসএফ দারফুরের বেশিরভাগ অঞ্চলে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করে। সরকারি সমর্থনপুষ্ট কুখ্যাত জানজাওয়িদ মিলিশিয়া থেকে গড়ে ওঠা এই বাহিনীর বিরুদ্ধে ২০০০-এর দশকের শুরুতে দারফুরে ভয়াবহ নৃশংসতার অভিযোগ রয়েছে।

সুদানের পশ্চিম দারফুরে ড্রোন হামলায় অন্তত ৩৫ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। মানবাধিকার সংস্থা ইমার্জেন্সি লয়ার্স জানায়, রোববার স্থানীয় সময় দুপুর ১টার দিকে উত্তর দারফুর রাজ্যের গারা আল-জাওয়াইয়া গ্রামের একটি আদালতে সুদানি সেনাবাহিনী এই হামলা চালায়। সংস্থাটি বলেছে, হামলার সময় বেসামরিক নাগরিকরা মামলার শুনানিতে অংশ নিতে জড়ো হয়েছিলেন। গ্রামটি আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ২০২৩ সালের এপ্…