ঢাকা ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ: হাইকোর্টে আবেদন গ্রহণ, ব্যালট সংরক্ষণের নির্দেশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে ভোট গণনার ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ। এই নির্বাচনের ফলকে চ্যালেঞ্জ করে তিনি হাইকোর্টে একটি আবেদন জমা দিয়েছিলেন, যা আদালত গ্রহণ করেছে। একই সঙ্গে, ওই আসনের ভোট গণনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যালট পেপার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম যথাযথভাবে সংরক্ষণের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি জাকির হোসেনের একক বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন। প্রসঙ্গত, এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাসুদ পারভেজ রাসেল বিজয়ী হয়েছিলেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ৩০ জনেরও বেশি প্রার্থী এর আগে হাইকোর্টে বিভিন্ন আবেদন জমা দিয়েছিলেন।

গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যেকোনো অনিয়ম বা ত্রুটির বিরুদ্ধে ‘নির্বাচনি’ আবেদন শোনার জন্য হাইকোর্টে একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছে। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে এই একক বেঞ্চ বর্তমানে বিভিন্ন নির্বাচনী আবেদনপত্রের ওপর শুনানি পরিচালনা করছেন।

হাইকোর্ট বিভাগের কার্যতালিকা অনুযায়ী, এই বেঞ্চটি অন্যান্য দেওয়ানি মামলার পাশাপাশি ‘২০০১ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) অধ্যাদেশ দ্বারা সংশোধিত ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ’ অনুযায়ী ‘নির্বাচনি’ আবেদনপত্র গ্রহণ ও শুনানি করার এখতিয়ার রাখে। এছাড়াও, যে সকল মামলা এই বেঞ্চে স্থানান্তরিত হবে, সেগুলোও এই বেঞ্চ শুনবে এবং এই সংক্রান্ত রুল ও আবেদনপত্র গ্রহণ করবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশে ৩.৭ মিলিয়ন ডলারের ক্রিপ্টোকারেন্সি উদ্ধার: সাইবার অপরাধ দমনে বড় সাফল্য

চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ: হাইকোর্টে আবেদন গ্রহণ, ব্যালট সংরক্ষণের নির্দেশ

আপডেট সময় : ০১:৩৩:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে ভোট গণনার ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ। এই নির্বাচনের ফলকে চ্যালেঞ্জ করে তিনি হাইকোর্টে একটি আবেদন জমা দিয়েছিলেন, যা আদালত গ্রহণ করেছে। একই সঙ্গে, ওই আসনের ভোট গণনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যালট পেপার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম যথাযথভাবে সংরক্ষণের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি জাকির হোসেনের একক বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন। প্রসঙ্গত, এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাসুদ পারভেজ রাসেল বিজয়ী হয়েছিলেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ৩০ জনেরও বেশি প্রার্থী এর আগে হাইকোর্টে বিভিন্ন আবেদন জমা দিয়েছিলেন।

গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যেকোনো অনিয়ম বা ত্রুটির বিরুদ্ধে ‘নির্বাচনি’ আবেদন শোনার জন্য হাইকোর্টে একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছে। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে এই একক বেঞ্চ বর্তমানে বিভিন্ন নির্বাচনী আবেদনপত্রের ওপর শুনানি পরিচালনা করছেন।

হাইকোর্ট বিভাগের কার্যতালিকা অনুযায়ী, এই বেঞ্চটি অন্যান্য দেওয়ানি মামলার পাশাপাশি ‘২০০১ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) অধ্যাদেশ দ্বারা সংশোধিত ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ’ অনুযায়ী ‘নির্বাচনি’ আবেদনপত্র গ্রহণ ও শুনানি করার এখতিয়ার রাখে। এছাড়াও, যে সকল মামলা এই বেঞ্চে স্থানান্তরিত হবে, সেগুলোও এই বেঞ্চ শুনবে এবং এই সংক্রান্ত রুল ও আবেদনপত্র গ্রহণ করবে।