ঢাকা ০৩:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

সংরক্ষিত আসনে এমপি হতে খুলনার নেত্রীদের জোর তদবির

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হওয়ার পর থেকেই জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে প্রার্থী হওয়ার জন্য খুলনার নারী রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে তৎপরতা ও দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে। সাধারণ আসনের নির্বাচনের পর থেকেই তারা দলীয় হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য নিজেদের রাজনৈতিক প্রোফাইল তৈরি এবং বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। সংসদ অধিবেশন শুরুর পর তাদের এই তৎপরতা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।

খুলনা-বাগেরহাট সংরক্ষিত আসনের জন্য বেশ কয়েকজন নেত্রীর নাম আলোচনায় রয়েছে, যারা বিভিন্ন কৌশলে শীর্ষ নেতাদের মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করছেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন সাবেক এমপি, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং খুলনা মহানগর মহিলা দলের আহ্বায়ক সৈয়দা নার্গিস আলী। তিনি পূর্বেও সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৭৯ সালে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হওয়া সৈয়দা নার্গিস আলী পরবর্তীতে খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় মহিলা দল প্রতিষ্ঠার গুরুদায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানেও তিনি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে মনোনয়ন পেতে যোগাযোগ রক্ষা করছেন। যদিও বয়সের ভারে কিছুটা ন্যুব্জ, তবুও তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তাকে এগিয়ে রেখেছে বলে তার ঘনিষ্ঠরা মনে করেন।

এই তালিকায় আরও রয়েছেন খুলনা মহানগর বিএনপির সদ্য সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দা রেহানা আখতার। তিনি প্রখ্যাত সাংবাদিক সৈয়দ ঈসার সহধর্মিণী এবং দীর্ঘদিন ধরে দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয়। পেশাগত জীবনে শিক্ষকতা এবং বাংলাদেশ কিন্ডার গার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনা ও রাজপথের আন্দোলনে তিনি তার দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন এবং গ্রেপ্তারও হয়েছেন। তার অনুসারীরা আশা করছেন, দল তার এই অবদানকে মূল্যায়ন করবে।

ছাত্র রাজনীতির মাঠ থেকে উঠে আসা আজিজা খানম এলিজার নামও সংরক্ষিত আসনের প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। স্বৈরশাসক এরশাদবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা। তিনি সরকারি পাইওনিয়ার কলেজের দুই দফা ভিপি ছিলেন এবং খুলনা মহানগর মহিলা দলের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। নগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবেও তিনি সক্রিয় ছিলেন। আন্দোলন-সংগ্রামে গ্রেপ্তার হওয়া এবং নাশকতা মামলার আসামি হওয়ার অভিজ্ঞতাও তার রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশে ৩.৭ মিলিয়ন ডলারের ক্রিপ্টোকারেন্সি উদ্ধার: সাইবার অপরাধ দমনে বড় সাফল্য

সংরক্ষিত আসনে এমপি হতে খুলনার নেত্রীদের জোর তদবির

আপডেট সময় : ০১:৩২:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হওয়ার পর থেকেই জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে প্রার্থী হওয়ার জন্য খুলনার নারী রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে তৎপরতা ও দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে। সাধারণ আসনের নির্বাচনের পর থেকেই তারা দলীয় হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য নিজেদের রাজনৈতিক প্রোফাইল তৈরি এবং বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। সংসদ অধিবেশন শুরুর পর তাদের এই তৎপরতা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।

খুলনা-বাগেরহাট সংরক্ষিত আসনের জন্য বেশ কয়েকজন নেত্রীর নাম আলোচনায় রয়েছে, যারা বিভিন্ন কৌশলে শীর্ষ নেতাদের মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করছেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন সাবেক এমপি, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং খুলনা মহানগর মহিলা দলের আহ্বায়ক সৈয়দা নার্গিস আলী। তিনি পূর্বেও সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৭৯ সালে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হওয়া সৈয়দা নার্গিস আলী পরবর্তীতে খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় মহিলা দল প্রতিষ্ঠার গুরুদায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানেও তিনি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে মনোনয়ন পেতে যোগাযোগ রক্ষা করছেন। যদিও বয়সের ভারে কিছুটা ন্যুব্জ, তবুও তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তাকে এগিয়ে রেখেছে বলে তার ঘনিষ্ঠরা মনে করেন।

এই তালিকায় আরও রয়েছেন খুলনা মহানগর বিএনপির সদ্য সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দা রেহানা আখতার। তিনি প্রখ্যাত সাংবাদিক সৈয়দ ঈসার সহধর্মিণী এবং দীর্ঘদিন ধরে দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয়। পেশাগত জীবনে শিক্ষকতা এবং বাংলাদেশ কিন্ডার গার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনা ও রাজপথের আন্দোলনে তিনি তার দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন এবং গ্রেপ্তারও হয়েছেন। তার অনুসারীরা আশা করছেন, দল তার এই অবদানকে মূল্যায়ন করবে।

ছাত্র রাজনীতির মাঠ থেকে উঠে আসা আজিজা খানম এলিজার নামও সংরক্ষিত আসনের প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। স্বৈরশাসক এরশাদবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা। তিনি সরকারি পাইওনিয়ার কলেজের দুই দফা ভিপি ছিলেন এবং খুলনা মহানগর মহিলা দলের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। নগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবেও তিনি সক্রিয় ছিলেন। আন্দোলন-সংগ্রামে গ্রেপ্তার হওয়া এবং নাশকতা মামলার আসামি হওয়ার অভিজ্ঞতাও তার রয়েছে।