পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে কুমিল্লার নগরীতে চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ঈদের কেনাকাটায় ব্যস্ততম সময়ে সুযোগ বুঝে অপরাধী চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে, যা উৎসবের আনন্দের মাঝেও ক্রেতাদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে।
রমজান মাসজুড়ে নতুন পোশাক ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনার জন্য পরিবার-পরিজন নিয়ে নগরীর বিভিন্ন শপিং মলে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মার্কেটগুলো রঙ-বেরঙের পোশাকে সেজে উঠেছে এবং উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে। তবে এই বিপুল জনসমাগমকেই অপরাধীরা তাদের লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। অসচেতন ক্রেতাদের পকেট কাটা এবং ব্যাগ ছিনতাইয়ের ঘটনা বাড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিপুল জনসমাগমের তুলনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি খুবই সীমিত, যা নিরাপত্তাহীনতাকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। সম্প্রতি ধর্মসাগর পাড়ে কেনাকাটা শেষে ফেরার পথে ছিনতাইয়ের শিকার হন এক কলেজ শিক্ষার্থী। তিনি জানান, কিছু বখাটে তাঁদের অনুসরণ করে হামলা চালিয়ে দুটি মোবাইল ফোন ও প্রায় পাঁচ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করতে গেলে পুলিশ তেমন গুরুত্ব দেয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
কুমিল্লা নগরীর ইস্টার্ন ইয়াকুব প্লাজা, সাত্তার খান কমপ্লেক্স, খন্দকার হক টাওয়ার ও এসআর প্ল্যানেটের মতো ব্যস্ততম শপিং মলগুলোতে প্রতিদিন কোটি টাকার পণ্য বেচাকেনা হলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা অপর্যাপ্ত বলে অভিযোগ রয়েছে। মার্কেট কর্তৃপক্ষ নিজস্ব নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ করলেও তারা মূলত যানজট নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই ব্যস্ত থাকেন, ফলে চুরি-ছিনতাই প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। দোকান মালিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক জানিয়েছেন, পুলিশের সাথে এ বিষয়ে বৈঠক হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























