জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তুমুল বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। রাষ্ট্রপতির ভাষণ চলাকালীনই জামায়াত ও এনসিপি নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট সংসদ থেকে ওয়াকআউট করে। পরে, জামায়াতের আমির সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন একজন অপরাধী এবং সকল খুনির সহযোগী। তিনি কোনো খুনের বিষয়েই যথাযথ ব্যবস্থা নেননি, এমনকি অভিভাবক হিসেবেও দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। তাই, এই মহান সংসদে তাঁর বক্তব্য শোনা সম্ভব নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে রাষ্ট্রপতির বক্তব্য শুরু হওয়ার অল্প পরেই বিরোধী জোটের সংসদ সদস্যরা অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন। জামায়াত আমির আরও অভিযোগ করেন যে, সরকারি দল দুটি শপথ গ্রহণ করলেও বিরোধী জোটের সদস্যরা তা নেয়নি। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি সংস্কার পরিষদের সভা ডাকেননি এবং ৭০ ভাগ জনগণকে অপমান করা হয়েছে। স্পিকারও বিরোধী জোটের সংসদ সদস্যদের বক্তব্য রাখার সুযোগ দেননি বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন যে, সংসদে কোনো অন্যায় সহ্য করা হবে না এবং সংসদ কারো একার সম্পত্তি নয়, বরং জনগণের পক্ষে কথা বলার একটি প্ল্যাটফর্ম।
ওয়াকআউটের পর বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, হাজারো মানুষের রক্তের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদকে বিতাড়িত করা হয়েছে। ফ্যাসিস্ট দোসর রাষ্ট্রপতি বক্তব্য দিতে আসায় তাঁরা বক্তব্য দিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু স্পিকার সুযোগ দেননি, ফলে তাঁরা ওয়াকআউট করতে বাধ্য হয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 























