আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে নাগরিকদের জন্য কিছু জরুরি নিরাপত্তা পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিশেষ বার্তায় এই বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়েছে।
যাত্রীদের প্রতি পুলিশের অনুরোধ: ঈদের ভ্রমণ পরিকল্পনা করার সময় পর্যাপ্ত সময় হাতে রাখুন। ভ্রমণকালে নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিন। চালককে দ্রুত গতিতে গাড়ি চালাতে তাগিদ দেবেন না। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে বাসের ছাদে অথবা ট্রাক, পিকআপ ও অন্যান্য পণ্যবাহী যানবাহনে ভ্রমণ করা থেকে বিরত থাকুন। রাস্তা পারাপারের সময় জেব্রা ক্রসিং অথবা ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার করুন। যেখানে এগুলো নেই, সেখানে যানবাহনের গতিবিধি দেখে নিরাপদে রাস্তা পার হোন। প্রয়োজনে পুলিশের সহায়তা নিন। বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালাবেন না। অপরিচিত কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে খাবার বা পানীয় গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন।
বাস চালকদের প্রতি বিশেষ নির্দেশনা: অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালাবেন না, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং পরিহার করুন। ক্লান্তি, অবসাদ বা অসুস্থ অবস্থায় গাড়ি চালাবেন না। ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ গাড়ির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সবসময় সঙ্গে রাখুন। বাসে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করবেন না। আঞ্চলিক সড়ক ও মহাসড়কে চলাচলের সময় প্রয়োজনে পুলিশের নির্দেশনা মেনে চলুন।
লঞ্চ, স্টিমার ও স্পিডবোট যাত্রীদের জন্য পরামর্শ: জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে নৌযানে উঠবেন না। নৌযানের ছাদে যাত্রী হয়ে ভ্রমণ করবেন না। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌযানে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকুন। যাত্রাপথে ঝড় দেখা দিলে আতঙ্কিত হয়ে এদিক-ওদিক ছোটাছুটি না করে নিজের জায়গায় শান্তভাবে অবস্থান করুন। স্পিডবোটে ভ্রমণের সময় অবশ্যই লাইফ জ্যাকেট পরিধান করুন।
লঞ্চ, স্টিমার ও স্পিডবোট মালিকদের প্রতি অনুরোধ: নির্ধারিত সংখ্যক যোগ্যতাসম্পন্ন মাস্টার এবং ড্রাইভার দ্বারা নৌযান পরিচালনা করুন। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় নৌযানের চলাচল বন্ধ রাখুন। নৌযানের মাস্টার ব্রিজে সাধারণ যাত্রীদের অবাধ চলাচল বন্ধ করার জন্য দু’পাশ অস্থায়ীভাবে বন্ধের ব্যবস্থা করুন। লঞ্চে পর্যাপ্ত বয়া রাখুন।
লঞ্চ, স্টিমার ও স্পিডবোট চালকদের প্রতি নির্দেশনা: আবহাওয়ার পূর্বাভাস জেনে নৌযান নিয়ে বন্দর ত্যাগ করুন। ডেকের উপর যাত্রীদের বসার স্থানে মালামাল পরিবহন থেকে বিরত থাকুন। নৌযানে পর্যাপ্তসংখ্যক বয়া ও লাইফ জ্যাকেট রাখুন।
রিপোর্টারের নাম 






















