ঢাকা ০৪:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

বিধবাকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের আমৃত্য কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০৪:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর কাফরুলে এক বিধবাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মো. জাহাঙ্গীর হোসেন নামে এক যুবককে আমৃত্য কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঢাকার ৪ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমানের আদালত বৃহস্পতিবার এই রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত জাহাঙ্গীর হোসেনকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। আদালত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন যেন আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ ভিকটিমকে প্রদান করা হয়। রায়ে আরও উল্লেখ করা হয় যে, আসামির সম্পত্তি থেকে ভিকটিমের সন্তানের ২১ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত তার ভরণ-পোষণের ব্যবস্থা করা হবে। যদি সম্পত্তি থেকে এই ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব না হয়, তবে রাষ্ট্র সেই ব্যয় বহন করবে।

মামলার সূত্র অনুযায়ী, ঘটনার ১১ মাস আগে ভিকটিমের স্বামী মারা যাওয়ার পর আসামি জাহাঙ্গীর হোসেন, যিনি ভিকটিমের পূর্ব পরিচিত ছিলেন, তার বাসায় আসা-যাওয়া করতেন। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০১৮ সালের ১৫ জানুয়ারি রাতে আসামি ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। পরবর্তীকালে বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে তিনি বিভিন্ন সময়ে ভিকটিমকে ধর্ষণ করতে থাকেন। সর্বশেষ ২০১৯ সালের ১৭ জানুয়ারি একইভাবে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

এর ফলে ভিকটিম দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। বিষয়টি জানার পর আসামি টালবাহানা শুরু করেন এবং অবশেষে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। এরপর ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভিকটিম ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে একই বছরের ২৫ নভেম্বর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদে কবি আল মাহমুদের কবিতা আবৃত্তি করলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল

বিধবাকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের আমৃত্য কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড

আপডেট সময় : ০৩:০৪:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

রাজধানীর কাফরুলে এক বিধবাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মো. জাহাঙ্গীর হোসেন নামে এক যুবককে আমৃত্য কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঢাকার ৪ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমানের আদালত বৃহস্পতিবার এই রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত জাহাঙ্গীর হোসেনকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। আদালত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন যেন আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ ভিকটিমকে প্রদান করা হয়। রায়ে আরও উল্লেখ করা হয় যে, আসামির সম্পত্তি থেকে ভিকটিমের সন্তানের ২১ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত তার ভরণ-পোষণের ব্যবস্থা করা হবে। যদি সম্পত্তি থেকে এই ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব না হয়, তবে রাষ্ট্র সেই ব্যয় বহন করবে।

মামলার সূত্র অনুযায়ী, ঘটনার ১১ মাস আগে ভিকটিমের স্বামী মারা যাওয়ার পর আসামি জাহাঙ্গীর হোসেন, যিনি ভিকটিমের পূর্ব পরিচিত ছিলেন, তার বাসায় আসা-যাওয়া করতেন। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০১৮ সালের ১৫ জানুয়ারি রাতে আসামি ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। পরবর্তীকালে বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে তিনি বিভিন্ন সময়ে ভিকটিমকে ধর্ষণ করতে থাকেন। সর্বশেষ ২০১৯ সালের ১৭ জানুয়ারি একইভাবে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

এর ফলে ভিকটিম দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। বিষয়টি জানার পর আসামি টালবাহানা শুরু করেন এবং অবশেষে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। এরপর ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভিকটিম ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে একই বছরের ২৫ নভেম্বর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।