যুক্তরাজ্যের একটি বিমান ঘাঁটিতে মার্কিন বিমানবাহিনীর বি-১ বোমারু বিমানগুলোতে শক্তিশালী বোমা মজুত করা হয়েছে, যা পেন্টাগন ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণের মতো ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলোতে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে ধারণ করা ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, অন্তত একটি বি-১ বোমারু বিমানের অস্ত্র রাখার স্থান থেকে একটি মিসাইল লঞ্চার সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বি-১ বোমারু বিমান আকাশ থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে সক্ষম, যা লক্ষ্যবস্তু থেকে শত শত মাইল দূর থেকে নিক্ষেপ করা যায়। তবে ইরানের ভূগর্ভস্থ ও সুসংহত স্থাপনায় সংরক্ষিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ধ্বংসে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র কতটা কার্যকর হবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
খবরে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যে থাকা বি-১ বিমানে ‘জয়েন্ট ডাইরেক্ট অ্যাটাক মিউনিশনস’ (জেডিএএম) বোমা মজুত করতে দেখা গেছে। এই বোমা নিক্ষেপের জন্য বিমানকে লক্ষ্যবস্তুর প্রায় ২৫ মাইলের মধ্যে থাকতে হয়। এর ফলে বোমারু বিমানকে ইরানের আকাশসীমার ভেতর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এর মাধ্যমে পেন্টাগন ইঙ্গিত দিচ্ছে যে তারা ইরানের বিমানবিধ্বংসী সক্ষমতার একটি বড় অংশ ধ্বংস করে দিয়েছে।
বর্তমানে মার্কিন বিমানবাহিনীর বহরে ৪০টি বি-১ বোমারু বিমান রয়েছে। এই ধরনের একটি বিমান ইরানের আকাশে হারানো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি বড় ধাক্কা হতে পারে। পর্যবেক্ষকদের মতে, যুদ্ধবিমানগুলোকে ঘাঁটির বাইরে এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে সেগুলো দূর থেকেও দেখা যায়। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র একটি বার্তা দিতে চাইছে যে, তাদের কাছে শক্তিশালী অস্ত্র প্রস্তুত রয়েছে এবং ইরান সেগুলো প্রতিহত করার সক্ষমতা রাখে না।
রিপোর্টারের নাম 
























