বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবিরের ওপর হামলার ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার দুই দিন পরও পুলিশ মামলা গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী চেয়ারম্যান। বুধবার রাতে নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি নিজের ও পরিবারের সদস্যদের জীবনের নিরাপত্তা দাবি করেন।
লিখিত বক্তব্যে হুমায়ুন কবির জানান, গত ৯ মার্চ সোমবার তিনি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ভিজিডি কার্ডের চাল বিতরণের কাজ করছিলেন। সে সময় নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সোহেল সিকদারের নেতৃত্বে একদল দুষ্কৃতকারী মব সৃষ্টি করে পরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালায়। তারা তাকে মারধর করে গুরুতর আহত করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনায় তিনি ১০ মার্চ মঙ্গলবার বাকেরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিলেও পুলিশ এখনো মামলা নেয়নি বা হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এর ফলে তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন।
চেয়ারম্যান আরও অভিযোগ করেন, তিনি একজন জনপ্রতিনিধি হওয়া সত্ত্বেও আজ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং যেকোনো সময় আবারও হামলার শিকার হতে পারেন। হামলাকারীরা বুধবার কথিত মানববন্ধন করে তার বিরুদ্ধে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এমনকি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তার ছবি বিকৃত করে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে ব্যানার টাঙিয়ে রেখেছে।
লিখিত বক্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, হামলাকারীরা শুধু মারধর করেই ক্ষান্ত হয়নি। বুধবার বেলা ১২টার সময় বিএনপি নেতা সোহেল সিকদারের নেতৃত্বে প্রায় ৪০-৫০ জন ভাড়াটে লোকজন ইউনিয়ন পরিষদের সামনে মহড়া দিয়ে তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ ও খুন-জখমের হুমকি দেয়। তিনি বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যদি তিনি কোনো হত্যা, গুম বা বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হন, তবে তার জন্য থানা পুলিশ দায়ী থাকবে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 
























