ঢাকা ০৩:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

নারীর বিকাশ ও উন্নয়ন: শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক সমতার অন্বেষণ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৪:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ধর্মগ্রন্থের বাণী স্মরণ করিয়ে দেয় যে, নারী-পুরুষ একে অপরের পরিপূরক। মানবসভ্যতার ইতিহাসে নারীর মর্যাদা, অধিকার ও সম্মান প্রতিষ্ঠায় ইসলাম এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল। আজও বিশ্বের বিভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতি নারীর সম্মান ও ভূমিকাকে গুরুত্ব দিয়ে আসছে। পরিবার ও সমাজে নারী কন্যা, স্ত্রী এবং জননী—এই বহুমাত্রিক পরিচয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। একজন শিক্ষিত মা জাতি গঠনে অপরিহার্য।

সময়ের সাথে সাথে নারী শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক ক্ষেত্রে অনেক দূর এগিয়েছে। তবে সামাজিক মর্যাদা, নিরাপত্তা ও সমতার প্রশ্নে তাদের এখনো নানাবিধ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি নির্যাতন, হেনস্তা ও সহিংসতার মতো ঘটনা সমাজে এখনো বিদ্যমান। তাই নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য দূর করা এখন সময়ের দাবি। ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির ইতিবাচক পরিবর্তন ছাড়া একটি জাতির সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।

গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে নারীর শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এবং জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) তথ্যমতে, দেশে সাক্ষরতার হার প্রায় ৭৫.৮ শতাংশ। প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ছাত্রীদের উপস্থিতি বেড়েছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে নারী শিক্ষার্থীর হার যথাক্রমে প্রায় ৫০% ও ৫৩%, এবং কলেজ পর্যায়ে প্রায় ৪৭%। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় নারী শিক্ষায়, বিশেষ করে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে, উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে নারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা মোট শিক্ষার্থীর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। গার্মেন্টস শিল্প, কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, প্রশাসনসহ বিভিন্ন খাতে নারীর অবদান ক্রমেই বাড়ছে। চিকিৎসা, শিক্ষকতাসহ নানা পেশায় নারীরা নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদাবাজদের তালিকা করছে পুলিশ: নাম কাটাতে ৫-২০ লাখ টাকা ঘুষের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

নারীর বিকাশ ও উন্নয়ন: শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক সমতার অন্বেষণ

আপডেট সময় : ০১:৫৪:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

ধর্মগ্রন্থের বাণী স্মরণ করিয়ে দেয় যে, নারী-পুরুষ একে অপরের পরিপূরক। মানবসভ্যতার ইতিহাসে নারীর মর্যাদা, অধিকার ও সম্মান প্রতিষ্ঠায় ইসলাম এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল। আজও বিশ্বের বিভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতি নারীর সম্মান ও ভূমিকাকে গুরুত্ব দিয়ে আসছে। পরিবার ও সমাজে নারী কন্যা, স্ত্রী এবং জননী—এই বহুমাত্রিক পরিচয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। একজন শিক্ষিত মা জাতি গঠনে অপরিহার্য।

সময়ের সাথে সাথে নারী শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক ক্ষেত্রে অনেক দূর এগিয়েছে। তবে সামাজিক মর্যাদা, নিরাপত্তা ও সমতার প্রশ্নে তাদের এখনো নানাবিধ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি নির্যাতন, হেনস্তা ও সহিংসতার মতো ঘটনা সমাজে এখনো বিদ্যমান। তাই নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য দূর করা এখন সময়ের দাবি। ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির ইতিবাচক পরিবর্তন ছাড়া একটি জাতির সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।

গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে নারীর শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এবং জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) তথ্যমতে, দেশে সাক্ষরতার হার প্রায় ৭৫.৮ শতাংশ। প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ছাত্রীদের উপস্থিতি বেড়েছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে নারী শিক্ষার্থীর হার যথাক্রমে প্রায় ৫০% ও ৫৩%, এবং কলেজ পর্যায়ে প্রায় ৪৭%। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় নারী শিক্ষায়, বিশেষ করে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে, উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে নারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা মোট শিক্ষার্থীর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। গার্মেন্টস শিল্প, কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, প্রশাসনসহ বিভিন্ন খাতে নারীর অবদান ক্রমেই বাড়ছে। চিকিৎসা, শিক্ষকতাসহ নানা পেশায় নারীরা নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করছেন।