জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও তামাকজনিত কারণে মৃত্যুহার কমাতে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ আইন হিসেবে পাস করার জোর দাবি জানিয়েছে গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এবং অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স- আত্মা। সংগঠন দুটি মনে করে, এই অধ্যাদেশটি দ্রুত আইন হিসেবে কার্যকর হওয়া অত্যন্ত জরুরি।
বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের মানিক মিয়া সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি তুলে ধরা হয়। বক্তারা উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার তাদের নির্বাচনি ইশতেহারেও তামাক ব্যবহারজনিত অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় আইনি উদ্যোগ গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা আরও বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশটি আইন হিসেবে পাস করা হলে নতুন প্রজন্ম নিকোটিন পণ্য যেমন ই-সিগারেট, ভ্যাপ ইত্যাদি ব্যবহার শুরু করতে নিরুৎসাহিত হবে। এতে তারা সব ধরনের তামাকপণ্য ব্যবহার থেকে বিরত থাকবে। একই সাথে শিশু, নারীসহ অসংখ্য অধূমপায়ী ব্যক্তি পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা পাবে।
সম্মেলনে জানানো হয়, তামাক ব্যবহারের কারণে বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ২ লাখ মানুষ মৃত্যুবরণ করে। তামাক ব্যবহার ও উৎপাদনের ফলে স্বাস্থ্য এবং পরিবেশের ক্ষতি বাবদ বছরে প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়, যা তামাক খাত থেকে অর্জিত রাজস্বের দ্বিগুণেরও বেশি। বর্তমানে দেশের ৩৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করছেন। এই পরিস্থিতিতে একটি শক্তিশালী তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন কার্যকর করা না হলে জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতির ওপর তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব আরও মারাত্মক আকার ধারণ করবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন বক্তারা।
রিপোর্টারের নাম 






















