ঢাকা ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

৫ বছরে ৪ কোটি পরিবারে ফ্যামিলি কার্ড: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের চার কোটি পরিবারে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা নারী এবং তাদের শিক্ষা ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ছাড়া বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই নারীপ্রধান পরিবারগুলোকে আর্থিকভাবে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সরকার এই কর্মসূচি চালু করেছে।

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বনানী টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে কড়াইল বস্তি সংলগ্ন এলাকায় ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তার সহধর্মিণী ড. জুবাইদা রহমান এবং মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

তারেক রহমান জানান, সারা দেশে ১৪টি উপজেলায় এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং এতে প্রায় ৩৭ হাজার নারী অংশগ্রহণ করছে। কড়াইল, ভাসানটেক ও সাততলা—এই তিন এলাকায় প্রায় ১৫ হাজার নারীকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের চার কোটি নারীপ্রধান পরিবারের প্রত্যেকটির কাছে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে চায়। নির্বাচনে দেওয়া ফ্যামিলি কার্ডের প্রতিশ্রুতি এক মাসের মধ্যেই পূরণ করতে পারায় তিনি শুকরিয়া আদায় করেন। আজকের দিনটি জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার পর একটি গুরুত্বপূর্ণ, স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক দিন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েলের হামলায় নিহত বাংলাদেশি দিপালীর মরদেহ ঢাকায় পৌঁছেছে

৫ বছরে ৪ কোটি পরিবারে ফ্যামিলি কার্ড: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:৪৬:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের চার কোটি পরিবারে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা নারী এবং তাদের শিক্ষা ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ছাড়া বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই নারীপ্রধান পরিবারগুলোকে আর্থিকভাবে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সরকার এই কর্মসূচি চালু করেছে।

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বনানী টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে কড়াইল বস্তি সংলগ্ন এলাকায় ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তার সহধর্মিণী ড. জুবাইদা রহমান এবং মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

তারেক রহমান জানান, সারা দেশে ১৪টি উপজেলায় এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং এতে প্রায় ৩৭ হাজার নারী অংশগ্রহণ করছে। কড়াইল, ভাসানটেক ও সাততলা—এই তিন এলাকায় প্রায় ১৫ হাজার নারীকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের চার কোটি নারীপ্রধান পরিবারের প্রত্যেকটির কাছে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে চায়। নির্বাচনে দেওয়া ফ্যামিলি কার্ডের প্রতিশ্রুতি এক মাসের মধ্যেই পূরণ করতে পারায় তিনি শুকরিয়া আদায় করেন। আজকের দিনটি জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার পর একটি গুরুত্বপূর্ণ, স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক দিন বলে তিনি মন্তব্য করেন।