ঢাকা ১২:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬

ঈদের কেনাকাটায় নারীদের পছন্দের শীর্ষে আগানূর-সাদাবাহার ও স্টোন ওয়ার্কের পোশাক

আর মাত্র দুই সপ্তাহ পরেই পবিত্র ঈদ-উল-আযহা। এই উৎসবকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন মার্কেট ও শপিংমলগুলোতে কেনাকাটার ধুম পড়েছে। নানা বয়সের নারীরা তাদের পছন্দের পোশাক কিনতে এক মার্কেট থেকে অন্য মার্কেটে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এবার ঈদে দেশি ও বিদেশি থ্রিপিসের প্রতি নারীদের আগ্রহ সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

তরুণীদের পছন্দের তালিকায় এবার শীর্ষে রয়েছে নূরস, আগানূর, মারিয়াবি, সাদাবাহার, সানা সাফিনায, জামাল কুদু, আলিয়া কাট, পার্সি, দিল্লি বুটিকস, তাওয়াক্কাল, বিন হামির, অর্গানজা, নায়রা, গারারা ও সারারা নামের থ্রিপিসগুলো। এগুলোর অধিকাংশই ভারত ও পাকিস্তান থেকে আমদানি করা। দেশি থ্রিপিসগুলো ৭৫০ থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। অন্যদিকে, পাকিস্তানি থ্রিপিসের দাম ৩ হাজার ৫০০ থেকে ১০ হাজার টাকা এবং ভারতীয় থ্রিপিস ২ হাজার থেকে ৬ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। প্রতিটি দোকানেই নতুন নতুন ডিজাইন ও বাহারি নামের থ্রিপিস নিয়ে এসেছেন বিক্রেতারা।

বিশেষ করে সিকোয়েন্স ও স্টোনের কাজ করা ভারী ডিজাইনের পোশাকের প্রতি তরুণীরা বেশি ঝুঁকছেন। এবারের ঈদ ফ্যাশনে শর্ট কামিজের সঙ্গে প্যান্ট স্টাইলের সালোয়ার এবং নেট, টিস্যু বা অরগ্যাঞ্জার ভারি কাজ করা ওড়নার প্রচলন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। থ্রিপিসেও এসেছে নতুনত্ব, যা ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছে।

নিউ মার্কেটের ফাহিম এন্টারপ্রাইজের কর্মচারী মো. আলমগীর জানিয়েছেন, এবারের ঈদে পাকিস্তানি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের থ্রিপিস বেশি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ভারতীয় বিভিন্ন থ্রিপিসও বেশ চলছে। পাকিস্তানি থ্রিপিস সাড়ে ৩ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা, ভারতীয় ব্র্যান্ডের পোশাক ৪ থেকে ১০ হাজার টাকা এবং ভারতীয় বুটিকসের পোশাক ৮ থেকে ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বেশিরভাগ ক্রেতাই পাকিস্তানি ও ভারতীয় থ্রিপিস কিনছেন।

অনেক বিক্রেতার মতে, ঈদে অনেক নারীর প্রথম পছন্দ ফারসি পোশাক। মানভেদে চাহিদার তুঙ্গে থাকা এই পোশাক বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৩ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত। রাজধানীর নিউমার্কেটে ঈদের পোশাক কিনতে আসা শায়লা রহমান জানান, ‘এই বছর ফারসি পোশাক কিনব ভাবছি। পোশাকটি আরামদায়ক ও বাতাস চলাচল উপযোগী হওয়ায় এই পোশাকটির প্রতি আমার আগ্রহ বেশি।’

রাজধানীর নিউমার্কেট, গাউছিয়া, চাঁদনী চক, হকার্স মার্কেট, নূরজাহান মার্কেট, মৌচাক, আনারকলি, ইস্টার্ন প্লাস, ইস্টার্ন মল্লিকা ঘুরে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুধু ফারসি ড্রেস নয়। এবার ঈদ পুরোপুরি গরমের সময় হওয়ায় সুতি ও আরামদায়ক সিল্ক থ্রিপিসের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে এবং এগুলোর বিক্রিও হচ্ছে খুব বেশি পরিমাণে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মোজতবা খামেনির প্রতি ইরানের প্রেসিডেন্ট ও সামরিক বাহিনীর পূর্ণ আনুগত্য

ঈদের কেনাকাটায় নারীদের পছন্দের শীর্ষে আগানূর-সাদাবাহার ও স্টোন ওয়ার্কের পোশাক

আপডেট সময় : ১০:৩২:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

আর মাত্র দুই সপ্তাহ পরেই পবিত্র ঈদ-উল-আযহা। এই উৎসবকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন মার্কেট ও শপিংমলগুলোতে কেনাকাটার ধুম পড়েছে। নানা বয়সের নারীরা তাদের পছন্দের পোশাক কিনতে এক মার্কেট থেকে অন্য মার্কেটে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এবার ঈদে দেশি ও বিদেশি থ্রিপিসের প্রতি নারীদের আগ্রহ সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

তরুণীদের পছন্দের তালিকায় এবার শীর্ষে রয়েছে নূরস, আগানূর, মারিয়াবি, সাদাবাহার, সানা সাফিনায, জামাল কুদু, আলিয়া কাট, পার্সি, দিল্লি বুটিকস, তাওয়াক্কাল, বিন হামির, অর্গানজা, নায়রা, গারারা ও সারারা নামের থ্রিপিসগুলো। এগুলোর অধিকাংশই ভারত ও পাকিস্তান থেকে আমদানি করা। দেশি থ্রিপিসগুলো ৭৫০ থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। অন্যদিকে, পাকিস্তানি থ্রিপিসের দাম ৩ হাজার ৫০০ থেকে ১০ হাজার টাকা এবং ভারতীয় থ্রিপিস ২ হাজার থেকে ৬ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। প্রতিটি দোকানেই নতুন নতুন ডিজাইন ও বাহারি নামের থ্রিপিস নিয়ে এসেছেন বিক্রেতারা।

বিশেষ করে সিকোয়েন্স ও স্টোনের কাজ করা ভারী ডিজাইনের পোশাকের প্রতি তরুণীরা বেশি ঝুঁকছেন। এবারের ঈদ ফ্যাশনে শর্ট কামিজের সঙ্গে প্যান্ট স্টাইলের সালোয়ার এবং নেট, টিস্যু বা অরগ্যাঞ্জার ভারি কাজ করা ওড়নার প্রচলন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। থ্রিপিসেও এসেছে নতুনত্ব, যা ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছে।

নিউ মার্কেটের ফাহিম এন্টারপ্রাইজের কর্মচারী মো. আলমগীর জানিয়েছেন, এবারের ঈদে পাকিস্তানি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের থ্রিপিস বেশি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ভারতীয় বিভিন্ন থ্রিপিসও বেশ চলছে। পাকিস্তানি থ্রিপিস সাড়ে ৩ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা, ভারতীয় ব্র্যান্ডের পোশাক ৪ থেকে ১০ হাজার টাকা এবং ভারতীয় বুটিকসের পোশাক ৮ থেকে ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বেশিরভাগ ক্রেতাই পাকিস্তানি ও ভারতীয় থ্রিপিস কিনছেন।

অনেক বিক্রেতার মতে, ঈদে অনেক নারীর প্রথম পছন্দ ফারসি পোশাক। মানভেদে চাহিদার তুঙ্গে থাকা এই পোশাক বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৩ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত। রাজধানীর নিউমার্কেটে ঈদের পোশাক কিনতে আসা শায়লা রহমান জানান, ‘এই বছর ফারসি পোশাক কিনব ভাবছি। পোশাকটি আরামদায়ক ও বাতাস চলাচল উপযোগী হওয়ায় এই পোশাকটির প্রতি আমার আগ্রহ বেশি।’

রাজধানীর নিউমার্কেট, গাউছিয়া, চাঁদনী চক, হকার্স মার্কেট, নূরজাহান মার্কেট, মৌচাক, আনারকলি, ইস্টার্ন প্লাস, ইস্টার্ন মল্লিকা ঘুরে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুধু ফারসি ড্রেস নয়। এবার ঈদ পুরোপুরি গরমের সময় হওয়ায় সুতি ও আরামদায়ক সিল্ক থ্রিপিসের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে এবং এগুলোর বিক্রিও হচ্ছে খুব বেশি পরিমাণে।