ঢাকা ০৯:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

হাদির হত্যাকারী ফয়সাল ও আলমগীরকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সালসহ ভারতে গ্রেপ্তার দুজনকে বাংলাদেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আইএসপিআর জানায়, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) তথ্যের ভিত্তিতে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক হাদি হত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) এবং আলমগীর হোসেনকে (৩৪) পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ কায়সার রশিদ চৌধুরী সম্প্রতি ভারত সফর করেন। তার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে যাওয়া সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দেশটি কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। জানা গেছে, হাদি হত্যায় জড়িত ফয়সাল ও আলমগীর মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিলেন। এরপর তারা বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছিলেন। সুযোগ বুঝে বাংলাদেশে ফিরতে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁর সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন, যে সময়ে তারা গ্রেপ্তার হন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাঁচ বছরের বিরতি ভেঙে সাদের নতুন কাজ ‘অ্যানি’, বিশ্বমঞ্চে নাজিফা তুষি

হাদির হত্যাকারী ফয়সাল ও আলমগীরকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু

আপডেট সময় : ০২:১৩:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সালসহ ভারতে গ্রেপ্তার দুজনকে বাংলাদেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আইএসপিআর জানায়, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) তথ্যের ভিত্তিতে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক হাদি হত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) এবং আলমগীর হোসেনকে (৩৪) পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ কায়সার রশিদ চৌধুরী সম্প্রতি ভারত সফর করেন। তার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে যাওয়া সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দেশটি কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। জানা গেছে, হাদি হত্যায় জড়িত ফয়সাল ও আলমগীর মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিলেন। এরপর তারা বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছিলেন। সুযোগ বুঝে বাংলাদেশে ফিরতে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁর সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন, যে সময়ে তারা গ্রেপ্তার হন।