ঢাকা ০৮:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

হাদি হত্যা: প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন মূল দুই আসামি

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের পুলিশ। দেশটির পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) সদস্যরা রোববার বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এসটিএফের সংবাদ বিজ্ঞপ্তির বরাত দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া পটুয়াখালী জেলার বাসিন্দা রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) এবং ঢাকার বাসিন্দা আলমগীর হোসেন (৩৪) বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে ধরা পড়েছেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছেন যে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী ওসমান হাদিকে হত্যা করে তারা পালিয়ে যান। এরপর মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। ভারতের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে শেষ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় এসে তারা অবস্থান নেন।

পুলিশ জানিয়েছে, সুযোগ পেলেই তারা আবার অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের পরিকল্পনা করছিলেন। এ ঘটনায় একটি নির্দিষ্ট মামলা করা হয়েছে এবং রোববার তাদের সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করা হলে আদালত পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিপিএল ফিক্সিং কাণ্ড: ক্রিকেটারসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

হাদি হত্যা: প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন মূল দুই আসামি

আপডেট সময় : ০৮:৪১:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের পুলিশ। দেশটির পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) সদস্যরা রোববার বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এসটিএফের সংবাদ বিজ্ঞপ্তির বরাত দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া পটুয়াখালী জেলার বাসিন্দা রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) এবং ঢাকার বাসিন্দা আলমগীর হোসেন (৩৪) বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে ধরা পড়েছেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছেন যে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী ওসমান হাদিকে হত্যা করে তারা পালিয়ে যান। এরপর মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। ভারতের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে শেষ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় এসে তারা অবস্থান নেন।

পুলিশ জানিয়েছে, সুযোগ পেলেই তারা আবার অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের পরিকল্পনা করছিলেন। এ ঘটনায় একটি নির্দিষ্ট মামলা করা হয়েছে এবং রোববার তাদের সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করা হলে আদালত পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।