ঢাকা ০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকা ওয়াসার বরখাস্তকৃত এমডির বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ: সিআইডি’র অনুসন্ধান শুরু

ঢাকা ওয়াসার বরখাস্তকৃত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আব্দুস সালাম ব্যাপারীর বিরুদ্ধে বিদেশে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) একটি অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেছে। সিআইডি’র বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান রবিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রাথমিক তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, ১৯৯১ সালে ঢাকা ওয়াসায় সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করা আব্দুস সালাম ব্যাপারীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অবৈধ উৎস থেকে অর্জিত অর্থ বিদেশে পাচার করে নিজের, স্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে কানাডা, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে প্রচুর স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ গড়ার অভিযোগ উঠেছে।

অনুসন্ধানে আরও বেরিয়ে এসেছে যে, ২০১৮ সালে তিনি নিজের এবং স্ত্রী মাহবুবুন্নেছার নামে কানাডার টরন্টোতে একটি বাড়ি ক্রয় করেছিলেন। স্থানীয় ভূমি নিবন্ধন অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ওই বাড়ির বর্তমান মূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২০ কোটি টাকা। বিভিন্ন গণমাধ্যমেও তার পরিবারের নামে কানাডায় বাড়ি থাকার খবর প্রকাশিত হয়েছে। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯ এর আলোকে এই অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে সিআইডি এই অনুসন্ধান শুরু করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ায় সংরক্ষিত বনভূমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণের মহোৎসব

ঢাকা ওয়াসার বরখাস্তকৃত এমডির বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ: সিআইডি’র অনুসন্ধান শুরু

আপডেট সময় : ০৭:৩৪:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

ঢাকা ওয়াসার বরখাস্তকৃত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আব্দুস সালাম ব্যাপারীর বিরুদ্ধে বিদেশে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) একটি অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেছে। সিআইডি’র বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান রবিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রাথমিক তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, ১৯৯১ সালে ঢাকা ওয়াসায় সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করা আব্দুস সালাম ব্যাপারীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অবৈধ উৎস থেকে অর্জিত অর্থ বিদেশে পাচার করে নিজের, স্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে কানাডা, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে প্রচুর স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ গড়ার অভিযোগ উঠেছে।

অনুসন্ধানে আরও বেরিয়ে এসেছে যে, ২০১৮ সালে তিনি নিজের এবং স্ত্রী মাহবুবুন্নেছার নামে কানাডার টরন্টোতে একটি বাড়ি ক্রয় করেছিলেন। স্থানীয় ভূমি নিবন্ধন অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ওই বাড়ির বর্তমান মূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২০ কোটি টাকা। বিভিন্ন গণমাধ্যমেও তার পরিবারের নামে কানাডায় বাড়ি থাকার খবর প্রকাশিত হয়েছে। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯ এর আলোকে এই অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে সিআইডি এই অনুসন্ধান শুরু করেছে।