ঢাকা ০৬:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবায় ১ লাখ কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা সরকারের: প্রতিমন্ত্রী

দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সার্বজনীন ও জনমুখী করতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছে সরকার। এদের মধ্যে ৮০ হাজারই হবেন নারী স্বাস্থ্যকর্মী। শনিবার সিরডাপ মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ সর্বজনীন স্বাস্থ্যের পথে’ শীর্ষক এক সংলাপে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত।

পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকার এই বিশাল সংখ্যক জনবল নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিশেষ করে নারী স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদে স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি আরও জানান, স্বাস্থ্য খাতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে ই-হেলথ কার্ড নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। এর সফল বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও কাঠামো তৈরির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এর ফলে রোগীদের তথ্য সংরক্ষণ ও সেবা প্রদান আরও সহজ ও সুসংগঠিত হবে।

হাসপাতালগুলোতে দালালদের দৌরাত্ম্য এবং চিকিৎসকদের কর্মস্থলে নিয়মিত অনুপস্থিতির কারণে রোগীরা ভোগান্তির শিকার হন বলেও প্রতিমন্ত্রী স্বীকার করেন। এসব সমস্যা নিরসনে সরকার গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে এবং স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। রোগীদের উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে এবং হাসপাতালগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রংপুর বিভাগে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট: পাম্পগুলোতে পেট্রোলের দেখা নেই, গ্রাহকদের ভোগান্তি

সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবায় ১ লাখ কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা সরকারের: প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৪:০৪:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সার্বজনীন ও জনমুখী করতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছে সরকার। এদের মধ্যে ৮০ হাজারই হবেন নারী স্বাস্থ্যকর্মী। শনিবার সিরডাপ মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ সর্বজনীন স্বাস্থ্যের পথে’ শীর্ষক এক সংলাপে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত।

পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকার এই বিশাল সংখ্যক জনবল নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিশেষ করে নারী স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদে স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি আরও জানান, স্বাস্থ্য খাতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে ই-হেলথ কার্ড নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। এর সফল বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও কাঠামো তৈরির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এর ফলে রোগীদের তথ্য সংরক্ষণ ও সেবা প্রদান আরও সহজ ও সুসংগঠিত হবে।

হাসপাতালগুলোতে দালালদের দৌরাত্ম্য এবং চিকিৎসকদের কর্মস্থলে নিয়মিত অনুপস্থিতির কারণে রোগীরা ভোগান্তির শিকার হন বলেও প্রতিমন্ত্রী স্বীকার করেন। এসব সমস্যা নিরসনে সরকার গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে এবং স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। রোগীদের উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে এবং হাসপাতালগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।