ঢাকা ০৫:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

তারেক রহমানের কারাবন্দি জীবনের দুই দশক: এক কঠিন যাত্রার স্মরণ

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ বাঁক হিসেবে বিবেচিত তারেক রহমানের কারাবন্দি হওয়ার আজ ২০ বছর পূর্ণ হলো। ২০০৭ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে রাজধানীর মঈনুল রোডের বাসভবন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা এবং বিএনপি চেয়ারম্যানের পদে অধিষ্ঠিত তারেক রহমানের এই দিবসটিকে ‘কারাবন্দি দিবস’ হিসেবে পালন করছে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো।

গ্রেপ্তারের পর তাকে রিমান্ডে নিয়ে অমানুষিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। বিএনপি নেতাদের দাবি, সেই সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পৈশাচিক নির্যাতনে তার মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় প্রায় ১৮ মাস কারাবন্দি থাকার পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি জামিনে মুক্তি পান। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি লন্ডনে পাড়ি জমান।

১/১১ সরকারের ধারাবাহিকতায় পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলেও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ জোরালো হয়। সে সময় তার বিরুদ্ধে সারা দেশে শতাধিক মামলা দায়ের করা হয়। বিএনপি বরাবরই দাবি করে আসছে যে, এসব মামলার কোনো ভিত্তি ছিল না এবং এটি ছিল কেবল তাকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখার একটি সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রের অংশ।

তবে দীর্ঘ নির্বাসন এবং আইনি লড়াই শেষে দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে তিনি বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। তার এই ২০তম কারাবন্দি দিবসটি তার রাজনৈতিক জীবনের এক কঠিন অধ্যায়ের স্মারক হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার পারদ: ৪ গুণ অস্ত্র উৎপাদন বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, জানালেন ট্রাম্প

তারেক রহমানের কারাবন্দি জীবনের দুই দশক: এক কঠিন যাত্রার স্মরণ

আপডেট সময় : ০৩:৩৮:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ বাঁক হিসেবে বিবেচিত তারেক রহমানের কারাবন্দি হওয়ার আজ ২০ বছর পূর্ণ হলো। ২০০৭ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে রাজধানীর মঈনুল রোডের বাসভবন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা এবং বিএনপি চেয়ারম্যানের পদে অধিষ্ঠিত তারেক রহমানের এই দিবসটিকে ‘কারাবন্দি দিবস’ হিসেবে পালন করছে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো।

গ্রেপ্তারের পর তাকে রিমান্ডে নিয়ে অমানুষিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। বিএনপি নেতাদের দাবি, সেই সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পৈশাচিক নির্যাতনে তার মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় প্রায় ১৮ মাস কারাবন্দি থাকার পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি জামিনে মুক্তি পান। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি লন্ডনে পাড়ি জমান।

১/১১ সরকারের ধারাবাহিকতায় পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলেও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ জোরালো হয়। সে সময় তার বিরুদ্ধে সারা দেশে শতাধিক মামলা দায়ের করা হয়। বিএনপি বরাবরই দাবি করে আসছে যে, এসব মামলার কোনো ভিত্তি ছিল না এবং এটি ছিল কেবল তাকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখার একটি সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রের অংশ।

তবে দীর্ঘ নির্বাসন এবং আইনি লড়াই শেষে দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে তিনি বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। তার এই ২০তম কারাবন্দি দিবসটি তার রাজনৈতিক জীবনের এক কঠিন অধ্যায়ের স্মারক হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।