প্রায় এক শতাব্দী ধরে যেখানে ধর্মতাত্ত্বিকদের প্রভাব রাজনৈতিক ক্ষমতার অধীনস্থ ছিল, ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে সেই শক্তি বিপ্লবী আন্দোলনের নেতৃত্ব গ্রহণ করে। ১৯৭৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইরানে ফিরে আসেন দুটি লক্ষ্য সামনে রেখে ইসলামি ধর্মতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং অক্সিডেন্টালিজম বা পাশ্চাত্য সাংস্কৃতিক প্রভাব সম্পূর্ণ নির্মূল করা। তার মতে, প্রায় এক শতাব্দী ধরে পাশ্চাত্য সাংস্কৃতিক প্রভাব ইরানকে বিপর্যস্ত করেছিল।
১৯৮০ সালে বিপ্লবী রাষ্ট্র প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে দেশব্যাপী ইসলামীকরণ কর্মসূচি গ্রহণ করে। এই কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্য ছিল সংগীত, সিনেমা, সাহিত্য ও একাডেমিক অঙ্গনসহ সংস্কৃতির পরিসর সেসব উপাদান থেকে মুক্ত করা, বিপ্লবীরা যেগুলোকে পাশ্চাত্য ধর্মনিরপেক্ষ সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বিবেচনা করত।
হামিদ সাবজেওয়ারি বহু বিখ্যাত বিপ্লবী গান ও স্লোগানের রচয়িতা ছিলেন। সংস্কৃতির ইসলামীকরণ প্রকল্প শুরুর পর তার মতো ঐতিহ্যবাদী কবিরা সাহিত্যে আধুনিকতাবাদী আন্দোলনকে ‘ঘার্বজাদেগি’ তথা পশ্চিমাসক্তি বা পশ্চিমাক্রান্ততার লক্ষণ হিসেবে দেখেন। একইভাবে নিয়ামাত মির্জাজাদেহ আধুনিক কবিতার বিরোধিতা করে বলেন, ‘মাত্রা বা অন্ত্যমিলবিহীন কবিতা আমাদের মুসলিম সাহিত্যিক পরিমণ্ডলে অভিনন্দিত ছিল না। এটি কেবল অল্প কয়েকজন গুরুত্বহীন কবির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। শাহবিরোধী বিক্ষোভে আমি কখনো কোনো আধুনিক কবিতা আবৃত্তি হতে দেখিনি।’
ইসলামীকরণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাংস্কৃতিক উৎপাদনের ক্ষেত্র তদারকির উদ্দেশ্যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়Ñসেন্টার ফর ইসলামিক আর্ট অ্যান্ড থট (হাওজিহ-ই-হুনারি বা CIAT) এবং ইসলামিক সংস্কৃতি ও দিকনির্দেশনা মন্ত্রণালয় (MICG)। এসব প্রতিষ্ঠান সংস্কৃতিক্ষেত্র নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি প্রাক-বিপ্লবী যুগের ধর্মনিরপেক্ষ বুদ্ধিজীবীদের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নতুন প্রজন্মের বিপ্লবী শিল্পী গড়ে তোলার দায়িত্বও পালন করত।
CIAT-এর কবিতা বিভাগ রাষ্ট্রপন্থি বিপ্লবী কবিদের প্রধান সমাবেশস্থল হয়ে ওঠে এবং যুদ্ধকালে বিপুল পরিমাণ রাষ্ট্রীয় কবিতার পৃষ্ঠপোষণ করে। এই সময়ের প্রধান রাষ্ট্রীয় সাহিত্যপত্র ছিল জং-ই-সুরিহ, যা ছিল উৎসাহী তরুণ বিপ্লবী কবিদের কণ্ঠস্বর।
বিপ্লবের প্রথম দশকে শিল্পের বিভিন্ন শাখার মধ্যে কবিতা একটি বিশেষ মর্যাদা লাভ করে। এর একটি কারণ ছিল চলচ্চিত্র ও সংগীতের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ; অন্যটি ছিল ধর্মতান্ত্রিক ব্যবস্থার সঙ্গে কবিতার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। ধর্মতাত্ত্বিকদের জন্য অলংকারশাস্ত্র ও বাকদক্ষতার গুরুত্ব কবিতাকে অ-মৌখিক শিল্পরূপের তুলনায় দ্বিগুণ সুবিধা এনে দেয়।
কবিতার ব্যাপক বিকাশের তৃতীয় কারণ ছিল আলী খামেনির ব্যক্তিগত মরমিবাদী প্রবণতা। কোমে শিক্ষাকালে তিনি মরমিবাদ, কবিতা ও দর্শনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। ভারতীয় ও ইরাকি শৈলীর প্রভাবে তিনি এমন সব গীতিকবিতা রচনা করেন, যা তার রক্ষণশীল মতাদর্শের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। তার কবিতায় শরাব, মত্ততা ও প্রেমের রূপক ও বাগ্ধারা ব্যবহৃত হয়; পরবর্তীকালে এগুলো বাদিহ-ই-ইশ্ক শিরোনামে প্রকাশিত হয়।
হে শরাবী, তোমার অবসন্ন চোখ আমাকে আবিষ্ট করেছে।
হে প্রিয়তমা, তোমার কেশের বাঁক আমাকে জড়িয়ে ফেলেছে।
সব শরাবী হারিয়েছে হুঁশ,
তোমার সঞ্জীবনী হাতের পেয়ালা আমাকে আবার সচেতন করেছে।
ফারসি সাহিত্যের বিশিষ্ট গবেষক হ্যানাওয়ে মনে করেন, আলী খামেনি তার কবিতায় এমন এক আলংকারিক ঐতিহ্য আহ্বান করেছেন, যেখানে মরমি কবিতা রচিত হয় দরবারি শ্রেণির ভাষাশৈলীতে।
গত শতকের আশির দশকে এবং ইরাক-ইরান যুদ্ধচলাকালে উদীয়মান বিপ্লবী কবিদের মধ্যে ভারতীয় ও ইরাকি শৈলীর শাস্ত্রীয় রীতির ব্যবহার চূড়া স্পর্শ করে। গজল, কাসিদা, মাসনভি ও চতুষ্পদী প্রধান কাব্যধারারূপে প্রতিষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সাহিত্যপত্র ও সংবাদপত্রে এসব ধারাই সবচেয়ে বেশি প্রকাশিত হতে থাকে।
সম্ভবত ১৯৭৯ সালের পরপরই আলী খামেনিকে উদ্দেশ করে রচিত প্রশংসাধর্মী গীতিকবিতার বিস্ফোরণ ঘটে। মধ্যযুগীয় দরবারি কাব্য-ঐতিহ্যের দিকে ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন স্পষ্টভাবে চোখে পড়ে। এসব কবিতার অধিকাংশেই খামেনিকে কখনো ঐশী নিদর্শন, নবীর বংশধর, আলীর পুত্র, আলো কিংবা প্রিয়তম রূপে চিত্রিত করা হয়েছে। আবার কখনো তাকে মুসলিম জাতি হিসেবে ইরানকে রক্ষাকারী এক দেশপ্রেমিক চরিত্র হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। নিচের পঙ্ক্তিগুলো এর কিছু উদাহরণ প্রদান করে—
তোমার উষ্ণ ও সঞ্জীবনী নিঃশ্বাসে মাটি নবজীবন পায়,
হে ইমাম, তুমি মহান নক্ষত্র, আকাশে ঐশী নিদর্শন।
এবং আরেকটি কবিতা—
তুমি ফুলের চেতনাও অতিক্রম করেছ,
তুমি হৃৎস্পন্দনের সঙ্গে অন্তরঙ্গ।
হে বিস্ময়, হে স্বাধীন, হে স্বাধীনতম,
তুমিই তো অনন্ত মহিমার অর্থ।
এসব কবিতা সরাসরি দরবারি প্রেমকাব্যের গীতিধারার সঙ্গে তুলনীয়। প্রেক্ষাপট জানা না থাকলে অনেক সময় বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে, এগুলো কাকে উদ্দেশ করে রচিত। কায়সার আমিনপুরের ‘সমস্ত কল্যাণের মূল’ কবিতাটি এর একটি উদাহরণ—
তোমার হাসি সমস্ত কল্যাণের সারাংশ,
হাসো! গোলাপের হাসি মনোরম।
তোমার কপাল ভোরের নিঃশ্বাস,
যে ভোর রাতের চোখ বন্ধ করে।
তোমার চোখের দৃষ্টিতে আছে আলোড়ন,
যেন কবুতরে ভরা এক মসজিদ।
তোমার আত্মার জানালার ওপার থেকে
আল্লাহর ইশকের রঙধনু দেখা যায়।
তোমার গর্জন ঝড়ের মতো প্রকম্পিত,
আর তোমার প্রশান্তি সমুদ্রের মতো স্থির।
আমাদের সঙ্গে কথা বলো দূরত্বহীন হয়ে,
যদিও তোমার বিস্তার আমাদের থেকে বহু দূরে।
ফারসি সাহিত্যের প্রখ্যাত গবেষক লোজেনস্কির মতে, উপলক্ষভিত্তিক কবিতা বিশ শতাব্দীর মাঝামাঝি রোমান্টিক ও আধুনিকতাবাদী ‘বিশুদ্ধ কবিতা’র দৃষ্টিতে সাহিত্যিক মর্যাদা হারালেও ইসলামি প্রজাতন্ত্রের নতুন নায়কেরা স্মারকধর্মী কবিতাকে নতুন উদ্দেশ্য ও মর্যাদা প্রদান করেছেন।
বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে উপলক্ষভিত্তিক কবিতার উত্থানের একটি প্রধান কারণ ছিল রাষ্ট্রপৃষ্ঠপোষিত কবিদের মধ্যে ‘তাআহহুদ’ বা অঙ্গীকার ধারণার পরিবর্তন। প্রাক-বিপ্লবী বামপন্থি কবিরা যেখানে রাজনৈতিক ক্ষমতা থেকে দূরত্বকেই অঙ্গীকার হিসেবে সংজ্ঞায়িত করতেন, রাষ্ট্রপন্থি কবিরা তাদের কবিতায় খামেনি, বিপ্লবী আদর্শ ও ধর্মীয় মূল্যবোধকে সম্মান জানিয়ে অঙ্গীকার উদ্যাপন করেন। তারা নতুন সরকারকে একনায়কতান্ত্রিক ও স্বেচ্ছাচারী রাজতান্ত্রিক শাসনের বিকল্প হিসেবে দেখতেন; ফলে রাষ্ট্র থেকে দূরত্ব বজায় রাখার প্রয়োজন তারা অনুভব করেননি।
এই অঙ্গীকার-ধারণার পরিবর্তন বিশেষত ইরান-ইরাক যুদ্ধ চলাকালে সবচেয়ে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এর প্রধান ফল ছিল ‘পবিত্র প্রতিরক্ষা সাহিত্য’ বা আদাবিয়্যাত-ই-দিফা-ই-মোকাদ্দাস নামে একটি সাহিত্যধারার জন্ম। যুদ্ধকালে কবিতা আদর্শগত সংগঠনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হয়ে ওঠে।
গত শতকের আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে সামরিক সংঘাতের চূড়ান্ত পর্যায়ে রাষ্ট্রপৃষ্ঠপোষিত সাহিত্যপত্র ও দৈনিক সংবাদপত্র শহীদদের প্রশংসায় রচিত শোকগাথা, মরমি মহাকাব্য এবং শাস্ত্রীয় প্রেমগীতিতে পরিপূর্ণ ছিল। অধিকাংশ কবিতায় আশুরার কাহিনি ও তৃতীয় শিয়া ইমামের রূপক উল্লেখ উল্লেখযোগ্য ছিল। এসব কবিতার বড় অংশে যুদ্ধক্ষেত্রকে ‘খানেগাহ’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, যেখানে যোদ্ধারা সুফি সত্যসন্ধানীর ভূমিকায় অবতীর্ণ—নিজেদের রক্তে ঘূর্ণায়মান, অথবা প্রেমের পথে শহীদ হিসেবে স্মরণীয় হওয়ার আকাঙ্ক্ষায় মৃত্যুবরণকারী।
হাসান হোসাইনীর বিখ্যাত মাসনভি ‘চল প্রেমের পথে’ এই ধরনের অসংখ্য উদাহরণের একটিÑ
চল ইশকের সড়ক ধরে,
বলতে বলতে প্রেমিকের কাহিনি।
যারা রক্তের ভেতর দিয়ে পথ চলেছে,
যারা বিপদের প্রান্তর অতিক্রম করেছে।
দেখো প্রেমের শহীদদের খানেগাহ,
দেখো এই সত্যসন্ধানী মানুষগুলো—ইশকের সংগীত গাইছে।
দেখো কীভাবে তারা উদ্দীপনা ঘূর্ণায়মান,
দেখো কীভাবে রক্তাক্ত হাতে বাজায় দফ।
এই সুফি পরিভাষা সমাবেশ ও সংগঠনের প্রক্রিয়ায় এমনকি আলী খামেনি নিজেও ব্যবহার করেছিলেন। সায়্যেদ গোরামের মতে, বহুল উদ্ধৃত উক্তি ‘বাসিজ-মাদরাসিহ-ই-ইশ্ক অস্ত’ সংহতকরণ প্রেমের বিদ্যালয় ছিল খামেনির এক কৌশলী পদক্ষেপ, যার মাধ্যমে তিনি ইরানি তরুণদের শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অব্যাহত রাখতে সক্ষম হন।
আশির দশকে যুদ্ধ ও শাহাদাতের প্রশংসায় শাস্ত্রীয় কবিতা ও মরমি গীতিকবিতার প্রবল স্রোতের পাশাপাশি রাষ্ট্রপন্থি কবিরা কখনো কখনো মুক্তছন্দও ব্যবহার করেন। এর উদ্দেশ্য ছিল তাদের ধর্মীয় পরিচয় পুনর্দখল করা এবং এই ধারার প্রধান অনুসারী প্রাক-বিপ্লবী ধর্মনিরপেক্ষ আধুনিকতাবাদী কবিদের নিন্দা করা। হাসান হোসাইনীর ‘হিজবুল্লাহ’ শিরোনামের কবিতাটি এ যুক্তির সাক্ষ্যÑ
কিন্তু আমি ভালোই মনে করি
সেই দিনটিকে, যখন ‘বুদ্ধিজীবী’
শহরের ভিড়ভাট্টা ক্যাফেতে,
সব বিস্ফোরণ থেকে বহু দূরে,
তার পানীয়ে চুমুক দিত;
আর আল্লাহর দল (হিজবুল্লাহ)
নিজেদের জীবন উৎসর্গ করত
আমাদের জাতির ইতিহাস বদলাতে।
যুদ্ধের শেষ দিকে যুদ্ধকবিতার ব্যাপক উৎপাদন সাময়িকভাবে স্তিমিত হয়। ১৯৮৯ সালে খামেনির মৃত্যুর পর সরকারি সাহিত্যাঙ্গন শোক-বন্দনার ঢেউয়ে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। তার মৃত্যুর এক বছরের মধ্যেই প্রায় ৩০০টি শোকগাথা সংকলিত হয়ে সুগনামেহ-য়ে-ইমাম বা ইমামের শোকগাথা শিরোনামে প্রকাশিত হয়।
খামেনির মৃত্যুতে রচিত বিলাপধর্মী কবিতাগুলোর মধ্যে নিয়ামাত মির্জাজাদিহর একটি কবিতা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। খামেনির প্রশংসায় কাসিদা লেখার প্রায় ৩০ বছর পর রচিত এই কবিতার সমালোচনামূলক সুর ১৯৭৯-পরবর্তী সময়ে কবি ও ক্ষমতার সম্পর্কের পরিবর্তনকে তাৎপর্যপূর্ণভাবে প্রতিফলিত করেÑ
এখানে শায়িত এক মানুষ,
যার জন্ম হয়েছিল বিলম্বে,
সহস্র বছরেরও অধিক দেরিতে।
তিনি তার সময়ের মানুষ ছিলেন না।
তার হৃদয়ের মাটির পাত্র
ধারণ করতে পারেনি মানুষের ভালোবাসা,
কিংবা তার মমিকৃত বিশ্বাসের কাঁধে
বহন করতে পারেনি মানুষের আস্থার ভার।
তার ভাগ্যে ছিল না সেই সৌভাগ্য,
সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে বিলীন হওয়ার—
যেমন এক নক্ষত্র উন্মত্ত দীপ্তিতে রাত জ্বালিয়ে
উল্কার মতো হারিয়ে যায়।
তার নিয়তি ছিল অন্যরকম—
তিনি এসেছিলেন আনন্দাশ্রু নিয়ে,
রেখে গেছেন এক জলাভূমি।
প্রধানত যুদ্ধনির্ভর স্বল্পকালীন নেতৃত্বে রুহুল্লাহ খামেনি তার উত্তরসূরি আলী খামেনির মতো কবিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারেননি, কিংবা কোনো সুসংগঠিত সাহিত্যিক পরিমণ্ডল সৃষ্টি করতে সক্ষম হননি। তবে শহীদদের প্রশংসায় কবিতা আবৃত্তির পর কবি আবদুল্লাহ হুসাইনিকে নিজের খিলআত বা সম্মানসূচক পোশাক উপহার দেওয়া একটি বিখ্যাত ঘটনা, যা খামেনির কবিতাপ্রীতির সাক্ষ্য বহন করে। বিশেষত যখন তা রাষ্ট্রব্যবস্থা ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থের প্রয়োজনে সহায়ক ছিল।
খামেনির মৃত্যুর পর এবং আলি খামেনেয়ির নেতৃত্ব গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্রপন্থি কবিরা এক নতুন ধর্মীয় অভিজাত শ্রেণির মর্যাদায় উন্নীত হন। ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে তাদের আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎগুলো ইরানে কবিতা ও ক্ষমতার সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।
মূল : ফাতেমা শামস
রিপোর্টারের নাম 
























