ঢাকা ০৬:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

বিশ্ববাজারে অস্থিরতা: দেশে জ্বালানি তেল কেনাবেচায় নতুন বিধিনিষেধ আরোপ

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে। আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ সংকটের যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, তার ঢেউ আছড়ে পড়েছে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারেও। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে জ্বালানি সংকট নিয়ে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

গত কয়েক দিন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের জন্য গ্রাহকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকাকে কেন্দ্র করে গ্রাহকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাও ঘটছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশ ভবিষ্যতের আশঙ্কায় অতিরিক্ত তেল মজুত করার চেষ্টা করছেন, যা বাজারে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।

এমন প্রেক্ষাপটে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং তেলের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। নতুন এই নির্দেশনায় ফিলিং স্টেশনগুলোর জন্য তেল বিক্রির নির্দিষ্ট সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে কোনো সাধারণ ভোক্তা চাইলেই ইচ্ছামতো বিপুল পরিমাণ জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবেন না। পাশাপাশি, ডিপো থেকে ফিলিং স্টেশনগুলো দৈনিক কী পরিমাণ তেল উত্তোলন করতে পারবে, সেটিও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। মূলত বাজারে কৃত্রিম সংকট রোধ এবং মজুতদারি বন্ধ করতেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘের ভূমিকার কড়া সমালোচনা ইরানের: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় নীরবতা ভাঙার আহ্বান

বিশ্ববাজারে অস্থিরতা: দেশে জ্বালানি তেল কেনাবেচায় নতুন বিধিনিষেধ আরোপ

আপডেট সময় : ১১:২৮:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে। আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ সংকটের যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, তার ঢেউ আছড়ে পড়েছে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারেও। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে জ্বালানি সংকট নিয়ে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

গত কয়েক দিন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের জন্য গ্রাহকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকাকে কেন্দ্র করে গ্রাহকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাও ঘটছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশ ভবিষ্যতের আশঙ্কায় অতিরিক্ত তেল মজুত করার চেষ্টা করছেন, যা বাজারে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।

এমন প্রেক্ষাপটে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং তেলের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। নতুন এই নির্দেশনায় ফিলিং স্টেশনগুলোর জন্য তেল বিক্রির নির্দিষ্ট সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে কোনো সাধারণ ভোক্তা চাইলেই ইচ্ছামতো বিপুল পরিমাণ জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবেন না। পাশাপাশি, ডিপো থেকে ফিলিং স্টেশনগুলো দৈনিক কী পরিমাণ তেল উত্তোলন করতে পারবে, সেটিও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। মূলত বাজারে কৃত্রিম সংকট রোধ এবং মজুতদারি বন্ধ করতেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।