ঢাকা ০৯:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬

দেশের বৃহৎ সার কারখানা বন্ধ: গ্যাস সংকটে স্থবির ঘোড়াশাল পলাশ

দেশজুড়ে চলমান গ্যাস সংকটের তীব্রতায় বন্ধ হয়ে গেছে দেশের অন্যতম বৃহৎ ও পরিবেশবান্ধব ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া সার কারখানার উৎপাদন। গত বুধবার থেকে নরসিংদীর পলাশে অবস্থিত এই গুরুত্বপূর্ণ কারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে পড়েছে। কারখানাটির প্রকল্প পরিচালক সাইদুর রহমান শুক্রবার সকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ এই সার কারখানাটি সম্পূর্ণভাবে গ্যাসনির্ভর। দৈনিক দুই হাজার ৮৪০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও, গ্যাস সরবরাহ না থাকায় প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার ৮০০ মেট্রিক টন সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এতে কৃষি খাতে সম্ভাব্য বিরূপ প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

কারখানা সূত্রে জানা যায়, নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদনের জন্য দৈনিক ৭১-৭২ পিএসআই (পাউন্ডস পার স্কয়ার ইঞ্চি) গ্যাস চাপ অপরিহার্য। এমনকি ৫২-৫৩ পিএসআই গ্যাস চাপ পেলেও উৎপাদন সচল রাখা সম্ভব। তবে বর্তমানে সেই ন্যূনতম চাপও না পাওয়ায় কারখানা কর্তৃপক্ষ উৎপাদন বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন।

যদিও বর্তমানে কারখানাটির গুদামে প্রায় ৫ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন সার মজুত রয়েছে, তবুও দীর্ঘমেয়াদী উৎপাদন বন্ধ থাকলে সারের সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ সৃষ্টি হতে পারে। উল্লেখ্য, চলমান গ্যাস সংকটের কারণে ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা ছাড়াও দেশের আরও কয়েকটি সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি তেল পাচারের আশঙ্কা, সীমান্তে অতিরিক্ত বিজিবি মোতায়েন

দেশের বৃহৎ সার কারখানা বন্ধ: গ্যাস সংকটে স্থবির ঘোড়াশাল পলাশ

আপডেট সময় : ০৩:০৭:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

দেশজুড়ে চলমান গ্যাস সংকটের তীব্রতায় বন্ধ হয়ে গেছে দেশের অন্যতম বৃহৎ ও পরিবেশবান্ধব ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া সার কারখানার উৎপাদন। গত বুধবার থেকে নরসিংদীর পলাশে অবস্থিত এই গুরুত্বপূর্ণ কারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে পড়েছে। কারখানাটির প্রকল্প পরিচালক সাইদুর রহমান শুক্রবার সকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ এই সার কারখানাটি সম্পূর্ণভাবে গ্যাসনির্ভর। দৈনিক দুই হাজার ৮৪০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও, গ্যাস সরবরাহ না থাকায় প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার ৮০০ মেট্রিক টন সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এতে কৃষি খাতে সম্ভাব্য বিরূপ প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

কারখানা সূত্রে জানা যায়, নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদনের জন্য দৈনিক ৭১-৭২ পিএসআই (পাউন্ডস পার স্কয়ার ইঞ্চি) গ্যাস চাপ অপরিহার্য। এমনকি ৫২-৫৩ পিএসআই গ্যাস চাপ পেলেও উৎপাদন সচল রাখা সম্ভব। তবে বর্তমানে সেই ন্যূনতম চাপও না পাওয়ায় কারখানা কর্তৃপক্ষ উৎপাদন বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন।

যদিও বর্তমানে কারখানাটির গুদামে প্রায় ৫ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন সার মজুত রয়েছে, তবুও দীর্ঘমেয়াদী উৎপাদন বন্ধ থাকলে সারের সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ সৃষ্টি হতে পারে। উল্লেখ্য, চলমান গ্যাস সংকটের কারণে ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা ছাড়াও দেশের আরও কয়েকটি সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।