## শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি: সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ নির্ধারণ
ঢাকা: জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে শেয়ারবাজারে কারসাজি, প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আগামী ২০ মে নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত এই আদেশ দেন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এই মামলার শুনানিতে আদালত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এই নতুন তারিখ ধার্য করেন।
মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন- সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক মো. আবুল খায়ের ওরফে হিরু, তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজি ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, শিরিন আক্তার, জাভেদ এ মতিন, মো. জাহেদ কামাল, মো. হুমায়ুন কবির এবং তানভির নিজাম।
এর আগে গত বছরের ১৭ জুন, প্রায় ২৫৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এই মামলাটি দায়ের করে। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে এবং দ্রুত আর্থিক লাভের উদ্দেশ্যে শেয়ারবাজারের প্রচলিত আইন ও বিধিমালা লঙ্ঘন করেছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা নিজেদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিও অ্যাকাউন্টগুলোতে অবৈধভাবে ফটকা ব্যবসা, জুয়া এবং গুজবের মাধ্যমে কারসাজি করে বাজারের দাম কৃত্রিমভাবে বাড়িয়েছেন। এরপর সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রলুব্ধ করে নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারে বিনিয়োগ করিয়ে তাদের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেছেন। এই প্রক্রিয়ায় তারা মোট ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
মামলার অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয় যে, মো. আবুল খায়ের ওরফে হিরুর শেয়ারবাজারে কারসাজির শিকার হওয়া প্যারামাউন্ট ইস্যুরেন্স লিমিটেড, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এবং সোনালী পেপারস লিমিটেডের শেয়ারে সাকিব আল হাসান বিনিয়োগ করে এই কারসাজিতে সহায়তা করেছেন। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ভুল বুঝিয়ে ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইনের নামে আত্মসাৎ করেছেন তিনি। এই অর্থ মূলত অপরাধলব্ধ আয় হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 






















