ঢাকা ০৯:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় কাতারের এলএনজি উৎপাদন স্থগিত, বিশ্ববাজারে আতঙ্ক

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে কাতার তার তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) উৎপাদন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। দেশটির প্রধান এলএনজি উৎপাদন কেন্দ্রে হামলার আশঙ্কায় এই জরুরি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এলএনজি সরবরাহকারী দেশ কাতারের এই পদক্ষেপে আন্তর্জাতিক গ্যাস সরবরাহের ক্ষেত্রে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

কাতার এনার্জি এবং দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, দেশটির রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ এলএনজি স্থাপনাগুলো হামলার সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। যদিও হামলার সুনির্দিষ্ট কারণ বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশিত হয়নি, তবে এই ঘটনা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

রাস লাফান কমপ্লেক্স কাতারের এলএনজি উৎপাদনের কেন্দ্রবিন্দু। এখানে ১৪টি বৃহৎ এলএনজি ‘ট্রেন’ রয়েছে, যা সম্মিলিতভাবে বছরে প্রায় ৭৭ মিলিয়ন টন এলএনজি উৎপাদন করতে সক্ষম। এই বিশাল উৎপাদন ক্ষমতা কাতারকে বিশ্ব এলএনজি বাজারের শীর্ষস্থানে অধিষ্ঠিত করেছে। তাই, এই উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজি সরবরাহে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশ, বিশেষ করে ইউরোপ, তাদের জ্বালানি চাহিদার একটি বড় অংশের জন্য কাতারের এলএনজির উপর নির্ভরশীল। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প সরবরাহ ব্যবস্থার সন্ধান এবং সম্ভাব্য মূল্যবৃদ্ধির উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদের শপিংয়ে ফেরার কথা ছিল বাবার, ফিরছে নিথর দেহ: বাহরাইনে ড্রোন হামলায় বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় কাতারের এলএনজি উৎপাদন স্থগিত, বিশ্ববাজারে আতঙ্ক

আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে কাতার তার তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) উৎপাদন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। দেশটির প্রধান এলএনজি উৎপাদন কেন্দ্রে হামলার আশঙ্কায় এই জরুরি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এলএনজি সরবরাহকারী দেশ কাতারের এই পদক্ষেপে আন্তর্জাতিক গ্যাস সরবরাহের ক্ষেত্রে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

কাতার এনার্জি এবং দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, দেশটির রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ এলএনজি স্থাপনাগুলো হামলার সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। যদিও হামলার সুনির্দিষ্ট কারণ বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশিত হয়নি, তবে এই ঘটনা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

রাস লাফান কমপ্লেক্স কাতারের এলএনজি উৎপাদনের কেন্দ্রবিন্দু। এখানে ১৪টি বৃহৎ এলএনজি ‘ট্রেন’ রয়েছে, যা সম্মিলিতভাবে বছরে প্রায় ৭৭ মিলিয়ন টন এলএনজি উৎপাদন করতে সক্ষম। এই বিশাল উৎপাদন ক্ষমতা কাতারকে বিশ্ব এলএনজি বাজারের শীর্ষস্থানে অধিষ্ঠিত করেছে। তাই, এই উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজি সরবরাহে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশ, বিশেষ করে ইউরোপ, তাদের জ্বালানি চাহিদার একটি বড় অংশের জন্য কাতারের এলএনজির উপর নির্ভরশীল। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প সরবরাহ ব্যবস্থার সন্ধান এবং সম্ভাব্য মূল্যবৃদ্ধির উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।