ঢাকা ০৭:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি: কোন দেশে কত সেনা, কী তাদের কৌশলগত ভূমিকা?

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০০:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

গত কয়েক দশক ধরে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। এই অঞ্চলে ১২টিরও বেশি দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং জলসীমায় অসংখ্য যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করে ওয়াশিংটন তার কৌশলগত প্রভাব বজায় রেখেছে। ধারণা করা হয়, এসব ঘাঁটিতে সামরিক ও বেসামরিক মিলিয়ে প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক কর্মী নিয়মিত অবস্থান করেন। বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ও রণতরীর বিশাল বহর নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে তার সামরিক সক্ষমতার প্রদর্শনী করে চলেছে। এই বিস্তীর্ণ সামরিক বিন্যাসের মূল লক্ষ্য কী এবং কোন দেশে তাদের কেমন ঘাঁটি রয়েছে, তা তুলে ধরা হলো এই লেখায়।

মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত ১৯টি স্থানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা রয়েছে, যার মধ্যে অনেকগুলোকেই আঞ্চলিক বিশেষজ্ঞরা স্থায়ী ঘাঁটি হিসেবে বিবেচনা করেন। এই সমস্ত ঘাঁটি মার্কিন সেনাবাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড ‘সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)’-এর অধীনে পরিচালিত হয়। সৌদি আরব, বাহরাইন, মিশর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরাক, ইসরায়েল, জর্ডান, কুয়েত, কাতার এবং সিরিয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোতে তাদের সামরিক উপস্থিতি বিদ্যমান।

কাতার: আল উদেইদ ঘাঁটি
মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম মার্কিন সামরিক ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত কাতারের আল উদেইদ। এটি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)-এর ফরওয়ার্ড হেডকোয়ার্টার এবং এর বিমান বাহিনীর মূল ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ইরাক, সিরিয়া ও আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ববর্তী সামরিক অভিযানে আল উদেইদ কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেছে। এখানে মার্কিন বিমান বাহিনীর ৩৭৯তম এয়ার এক্সপিডিশনারি উইং মোতায়েন রয়েছে এবং প্রায় ১০ হাজার মার্কিন সেনা এই ঘাঁটিতে অবস্থান করেন।

বাহরাইন: নৌবাহিনীর পঞ্চম ফ্লিট
ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম ফ্লিটের সদর দফতর অবস্থিত, যা পারস্য উপসাগর, লোহিত সাগর, আরব সাগর এবং পূর্ব আফ্রিকার উপকূলে (কেনিয়ার দক্ষিণ পর্যন্ত) মার্কিন নৌবাহিনীর কার্যক্রম পরিচালনা করে। ‘ন্যাভাল সাপোর্ট অ্যাক্টিভিটি বাহরাইন’ নামে পরিচিত এই স্থাপনাটি মার্কিন নৌবাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ডের সদর দফতর হিসেবেও কাজ করে। প্রায় নয় হাজার মার্কিন সেনা এখানে মোতায়েন আছেন। বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ রয়েছে। এর মধ্যে চারটি মাইন বিধ্বংসী জাহাজ এবং দুটি লজিস্টিক সাপোর্ট জাহাজ উল্লেখযোগ্য। এ অঞ্চলের গভীর জলে ‘ইউএসএস কার্ল ভিনসন’-এর মতো সুবিশাল বিমানবাহী রণতরীও চলাচল করতে পারে। এছাড়া, মার্কিন কোস্টগার্ডের ছয়টি ‘র‍্যাপিড রেসপন্স বোট’ সহ একাধিক জলযানও এখানে রয়েছে।

কুয়েত: অপারেশানাল ও লজিস্টিকাল হাব
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান সামরিক উপস্থিতি কুয়েতে। এখানে ক্যাম্প আরিফজান অবস্থিত, যা মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ হেডকোয়ার্টার। এটি মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর ‘অপারেশানাল’ এবং ‘লজিস্টিকাল হাব’ হিসেবে কাজ করে, যেখানে বিভিন্ন অভিযানের জন্য বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম মজুদ রাখা হয়। কুয়েতের আলী আল-সালেম বিমান ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের ৩৮৬তম ‘এয়ার এক্সপিডিশনারি উইং’ মোতায়েন রয়েছে, যাকে এ অঞ্চলে যৌথ ও জোট বাহিনীকে যুদ্ধ শক্তি সরবরাহের কেন্দ্রীয় বিমান ঘাঁটি ও প্রবেশদ্বার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া, কুয়েতে ‘এমকিউ-৯ রিপার’-এর মতো অত্যাধুনিক ড্রোনও রয়েছে। ক্যাম্প আরিফজান ও আলী আল সালেম বিমান ঘাঁটি মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত: আল ধাফরা বিমান ঘাঁটি
সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) আল ধাফরা বিমান ঘাঁটিতে একটি কৌশলগত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। এটি গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং যুদ্ধ বিমান অভিযানে (কম্ব্যাট এয়ার অপারেশন) সহায়তা করে। এই ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের ৩৮০তম এয়ার এক্সপিডিশনারি উইং মোতায়েন রয়েছে, যা দশটি বিমান স্কোয়াড্রন নিয়ে গঠিত এবং এতে ‘এমকিউ-৯ রিপার’-এর মতো ড্রোনও অন্তর্ভুক্ত।

ইরাক: ধীরগতিতে সেনা প্রত্যাহার
সাবেক প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের পতনের সময় ইরাকে ৫০০টিরও বেশি ঘাঁটিতে প্রায় এক লাখ ৬০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন ছিল। বর্তমানে দেশটিতে প্রায় আড়াই হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছেন। ওয়াশিংটন বাগদাদ সরকারের সঙ্গে ধীরগতিতে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। ইরাকে মার্কিন সামরিক বাহিনী মূলত কুর্দিস্তানের দুটি বিমান ঘাঁটি – আল আসাদ এবং ইরবিল – থেকে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে।

সিরিয়া: আইএস দমনে ভূমিকা
সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি মূলত ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। ২০১১ সালে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধের সময় আইএস সিরিয়া ও ইরাকের উল্লেখযোগ্য অঞ্চল দখল করে ফেলেছিল। বর্তমানে সিরিয়াজুড়ে বিভিন্ন ঘাঁটিতে প্রায় দুই হাজার মার্কিন সামরিক সদস্য মোতায়েন রয়েছেন, যারা আইএস-এর পুনরুত্থান ঠেকাতে স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে কাজ করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরানের কড়া বার্তা: আত্মরক্ষায় তেহরান প্রস্তুত, ভূখণ্ড ব্যবহারের সুযোগ না দেওয়ার হুঁশিয়ারি

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি: কোন দেশে কত সেনা, কী তাদের কৌশলগত ভূমিকা?

আপডেট সময় : ০৫:০০:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গত কয়েক দশক ধরে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। এই অঞ্চলে ১২টিরও বেশি দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং জলসীমায় অসংখ্য যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করে ওয়াশিংটন তার কৌশলগত প্রভাব বজায় রেখেছে। ধারণা করা হয়, এসব ঘাঁটিতে সামরিক ও বেসামরিক মিলিয়ে প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক কর্মী নিয়মিত অবস্থান করেন। বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ও রণতরীর বিশাল বহর নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে তার সামরিক সক্ষমতার প্রদর্শনী করে চলেছে। এই বিস্তীর্ণ সামরিক বিন্যাসের মূল লক্ষ্য কী এবং কোন দেশে তাদের কেমন ঘাঁটি রয়েছে, তা তুলে ধরা হলো এই লেখায়।

মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত ১৯টি স্থানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা রয়েছে, যার মধ্যে অনেকগুলোকেই আঞ্চলিক বিশেষজ্ঞরা স্থায়ী ঘাঁটি হিসেবে বিবেচনা করেন। এই সমস্ত ঘাঁটি মার্কিন সেনাবাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড ‘সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)’-এর অধীনে পরিচালিত হয়। সৌদি আরব, বাহরাইন, মিশর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরাক, ইসরায়েল, জর্ডান, কুয়েত, কাতার এবং সিরিয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোতে তাদের সামরিক উপস্থিতি বিদ্যমান।

কাতার: আল উদেইদ ঘাঁটি
মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম মার্কিন সামরিক ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত কাতারের আল উদেইদ। এটি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)-এর ফরওয়ার্ড হেডকোয়ার্টার এবং এর বিমান বাহিনীর মূল ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ইরাক, সিরিয়া ও আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ববর্তী সামরিক অভিযানে আল উদেইদ কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেছে। এখানে মার্কিন বিমান বাহিনীর ৩৭৯তম এয়ার এক্সপিডিশনারি উইং মোতায়েন রয়েছে এবং প্রায় ১০ হাজার মার্কিন সেনা এই ঘাঁটিতে অবস্থান করেন।

বাহরাইন: নৌবাহিনীর পঞ্চম ফ্লিট
ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম ফ্লিটের সদর দফতর অবস্থিত, যা পারস্য উপসাগর, লোহিত সাগর, আরব সাগর এবং পূর্ব আফ্রিকার উপকূলে (কেনিয়ার দক্ষিণ পর্যন্ত) মার্কিন নৌবাহিনীর কার্যক্রম পরিচালনা করে। ‘ন্যাভাল সাপোর্ট অ্যাক্টিভিটি বাহরাইন’ নামে পরিচিত এই স্থাপনাটি মার্কিন নৌবাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ডের সদর দফতর হিসেবেও কাজ করে। প্রায় নয় হাজার মার্কিন সেনা এখানে মোতায়েন আছেন। বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ রয়েছে। এর মধ্যে চারটি মাইন বিধ্বংসী জাহাজ এবং দুটি লজিস্টিক সাপোর্ট জাহাজ উল্লেখযোগ্য। এ অঞ্চলের গভীর জলে ‘ইউএসএস কার্ল ভিনসন’-এর মতো সুবিশাল বিমানবাহী রণতরীও চলাচল করতে পারে। এছাড়া, মার্কিন কোস্টগার্ডের ছয়টি ‘র‍্যাপিড রেসপন্স বোট’ সহ একাধিক জলযানও এখানে রয়েছে।

কুয়েত: অপারেশানাল ও লজিস্টিকাল হাব
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান সামরিক উপস্থিতি কুয়েতে। এখানে ক্যাম্প আরিফজান অবস্থিত, যা মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ হেডকোয়ার্টার। এটি মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর ‘অপারেশানাল’ এবং ‘লজিস্টিকাল হাব’ হিসেবে কাজ করে, যেখানে বিভিন্ন অভিযানের জন্য বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম মজুদ রাখা হয়। কুয়েতের আলী আল-সালেম বিমান ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের ৩৮৬তম ‘এয়ার এক্সপিডিশনারি উইং’ মোতায়েন রয়েছে, যাকে এ অঞ্চলে যৌথ ও জোট বাহিনীকে যুদ্ধ শক্তি সরবরাহের কেন্দ্রীয় বিমান ঘাঁটি ও প্রবেশদ্বার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া, কুয়েতে ‘এমকিউ-৯ রিপার’-এর মতো অত্যাধুনিক ড্রোনও রয়েছে। ক্যাম্প আরিফজান ও আলী আল সালেম বিমান ঘাঁটি মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত: আল ধাফরা বিমান ঘাঁটি
সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) আল ধাফরা বিমান ঘাঁটিতে একটি কৌশলগত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। এটি গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং যুদ্ধ বিমান অভিযানে (কম্ব্যাট এয়ার অপারেশন) সহায়তা করে। এই ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের ৩৮০তম এয়ার এক্সপিডিশনারি উইং মোতায়েন রয়েছে, যা দশটি বিমান স্কোয়াড্রন নিয়ে গঠিত এবং এতে ‘এমকিউ-৯ রিপার’-এর মতো ড্রোনও অন্তর্ভুক্ত।

ইরাক: ধীরগতিতে সেনা প্রত্যাহার
সাবেক প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের পতনের সময় ইরাকে ৫০০টিরও বেশি ঘাঁটিতে প্রায় এক লাখ ৬০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন ছিল। বর্তমানে দেশটিতে প্রায় আড়াই হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছেন। ওয়াশিংটন বাগদাদ সরকারের সঙ্গে ধীরগতিতে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। ইরাকে মার্কিন সামরিক বাহিনী মূলত কুর্দিস্তানের দুটি বিমান ঘাঁটি – আল আসাদ এবং ইরবিল – থেকে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে।

সিরিয়া: আইএস দমনে ভূমিকা
সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি মূলত ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। ২০১১ সালে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধের সময় আইএস সিরিয়া ও ইরাকের উল্লেখযোগ্য অঞ্চল দখল করে ফেলেছিল। বর্তমানে সিরিয়াজুড়ে বিভিন্ন ঘাঁটিতে প্রায় দুই হাজার মার্কিন সামরিক সদস্য মোতায়েন রয়েছেন, যারা আইএস-এর পুনরুত্থান ঠেকাতে স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে কাজ করছেন।