ঢাকা ১১:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে পলাতক শিক্ষক ময়মনসিংহে গ্রেফতার

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ১১ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১৪। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার সোনামপুর এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেফতার এড়াতে ওই শিক্ষক গাজীপুর ও টঙ্গীসহ বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন।

র‍্যাব জানিয়েছে, অভিযুক্ত শিক্ষক অত্যন্ত চতুরতার সাথে বারবার নিজের অবস্থান পরিবর্তন করছিলেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে মোবাইল ফোন ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছিলেন। গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযান চালিয়ে তাকে ধরা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ওই শিক্ষক কয়েক বছর আগে একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। সেখানে পড়াশোনা করার সময় শিশুটি যৌন নির্যাতনের শিকার হয় এবং পরবর্তীতে সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এদিকে, শিশুটির শারীরিক পরীক্ষার রিপোর্ট দেওয়া চিকিৎসককে বিভিন্ন মহল থেকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদে আইন প্রণয়ন ও কমিটি গঠনে বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ টিআইবির: জবাবদিহি খর্ব হওয়ার আশঙ্কা

মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে পলাতক শিক্ষক ময়মনসিংহে গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৫:১০:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ১১ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১৪। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার সোনামপুর এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেফতার এড়াতে ওই শিক্ষক গাজীপুর ও টঙ্গীসহ বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন।

র‍্যাব জানিয়েছে, অভিযুক্ত শিক্ষক অত্যন্ত চতুরতার সাথে বারবার নিজের অবস্থান পরিবর্তন করছিলেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে মোবাইল ফোন ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছিলেন। গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযান চালিয়ে তাকে ধরা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ওই শিক্ষক কয়েক বছর আগে একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। সেখানে পড়াশোনা করার সময় শিশুটি যৌন নির্যাতনের শিকার হয় এবং পরবর্তীতে সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এদিকে, শিশুটির শারীরিক পরীক্ষার রিপোর্ট দেওয়া চিকিৎসককে বিভিন্ন মহল থেকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।