ঢাকা ০৬:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

ঢাবি শিক্ষার্থী মিমোর আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলা: রিমান্ড শেষে কারাগারে শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার মামলায় একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। জামিন আবেদন নাকচ করে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তাকে কারাগারে পাঠানোর এই আদেশ দেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, মুনিরা মাহজাবিন মিমো ঢাবির থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। গত ২৬ এপ্রিল রাজধানীর বাড্ডায় নিজের বাসা থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার কক্ষ থেকে একটি চিরকুট পাওয়া যায়। ওই দিনই শিক্ষার্থীর বাবা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা করেন।

তিন দিনের রিমান্ড শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিকে আদালতে হাজির করলে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বকেয়া বেতনের দাবিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ, কয়েক ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক

ঢাবি শিক্ষার্থী মিমোর আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলা: রিমান্ড শেষে কারাগারে শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তী

আপডেট সময় : ০৫:১১:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার মামলায় একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। জামিন আবেদন নাকচ করে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তাকে কারাগারে পাঠানোর এই আদেশ দেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, মুনিরা মাহজাবিন মিমো ঢাবির থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। গত ২৬ এপ্রিল রাজধানীর বাড্ডায় নিজের বাসা থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার কক্ষ থেকে একটি চিরকুট পাওয়া যায়। ওই দিনই শিক্ষার্থীর বাবা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা করেন।

তিন দিনের রিমান্ড শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিকে আদালতে হাজির করলে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন।