ঢাকা ০৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

রূপপুর প্রকল্পে ‘বালিশ কাণ্ড’: অডিট রিপোর্টে বিস্ময় প্রকাশ করে জাদুঘরে রাখার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে আসবাবপত্র কেনাকাটায় সংঘটিত বহুল আলোচিত ‘বালিশ কাণ্ড’ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সরকারি বিভিন্ন দফতরের অডিট রিপোর্ট পর্যালোচনা করার সময় তিনি মন্তব্য করেন যে, দুর্নীতির এমন নজিরবিহীন ঘটনা স্মরণে রাখতে সেই বালিশগুলো জাদুঘরে সংরক্ষণ করা উচিত।

মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) কর্তৃক পেশ করা প্রতিবেদনে দেখা যায়, রূপপুর প্রকল্পের আবাসিক ভবনের জন্য প্রতিটি বালিশ কেনা হয়েছে ৫ হাজার ৯৫৭ টাকায়। এছাড়া প্রতিটি বালিশ নিচ থেকে উপরে ওঠানোর খরচ দেখানো হয়েছে ৭৬০ টাকা। আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী কেনাকাটায় এমন অস্বাভাবিক ব্যয় ও দুর্নীতির চিত্র দেখে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। প্রধানমন্ত্রী এই ধরনের আর্থিক অনিয়ম বন্ধে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিতে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অডিট রিপোর্ট হস্তান্তরের সময় সরকারের ঊর্ধ্বতন সচিব ও সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইপিএলের মেগা ফাইনাল আহমেদাবাদে, চূড়ান্ত সূচি ঘোষণা করল বিসিসিআই

রূপপুর প্রকল্পে ‘বালিশ কাণ্ড’: অডিট রিপোর্টে বিস্ময় প্রকাশ করে জাদুঘরে রাখার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০৪:০৩:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে আসবাবপত্র কেনাকাটায় সংঘটিত বহুল আলোচিত ‘বালিশ কাণ্ড’ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সরকারি বিভিন্ন দফতরের অডিট রিপোর্ট পর্যালোচনা করার সময় তিনি মন্তব্য করেন যে, দুর্নীতির এমন নজিরবিহীন ঘটনা স্মরণে রাখতে সেই বালিশগুলো জাদুঘরে সংরক্ষণ করা উচিত।

মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) কর্তৃক পেশ করা প্রতিবেদনে দেখা যায়, রূপপুর প্রকল্পের আবাসিক ভবনের জন্য প্রতিটি বালিশ কেনা হয়েছে ৫ হাজার ৯৫৭ টাকায়। এছাড়া প্রতিটি বালিশ নিচ থেকে উপরে ওঠানোর খরচ দেখানো হয়েছে ৭৬০ টাকা। আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী কেনাকাটায় এমন অস্বাভাবিক ব্যয় ও দুর্নীতির চিত্র দেখে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। প্রধানমন্ত্রী এই ধরনের আর্থিক অনিয়ম বন্ধে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিতে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অডিট রিপোর্ট হস্তান্তরের সময় সরকারের ঊর্ধ্বতন সচিব ও সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।