বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত প্রতিটি ঐতিহাসিক মাইলফলককে বুকে ধারণ করেই আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, অতীতের সব সংগ্রাম ও অর্জনকে পাথেয় করে আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ঠাকুরগাঁওয়ে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘ইএসডিও’ আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থানের পর দেশ এখন পুনর্গঠনের এক নতুন সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। এই নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করে জাতি গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, এ অঞ্চলে উচ্চশিক্ষার প্রসারে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ দ্রুতই শুরু হতে যাচ্ছে। পাশাপাশি জেলায় একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের প্রাথমিক কার্যক্রমও ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বিমানবন্দর সচল করা এবং অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইপিজেড) স্থাপনের কাজ বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সরকারের জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রশাসন যা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, তা বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে প্রান্তিক কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে।
বক্তব্যের শেষে তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, বাঙালি জাতি হিসেবে আমরা অতীতে কখনো কোনো অপশক্তির কাছে হার মানিনি এবং ভবিষ্যতেও হার মানবো না। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠন করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
রিপোর্টারের নাম 























