জাতীয় রাজনীতির উত্তাপ ও বড় ধরনের পরিবর্তনের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার মাঠপর্যায়ের রাজনীতিতে নতুন লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। জাতীয় পর্যায়ের পর দেশের রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষের দৃষ্টি এখন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিকে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তৃণমূল পর্যায়ে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করতে এবং জনসমর্থন যাচাইয়ের জন্য এই নির্বাচনগুলো হবে সব পক্ষের জন্য এক বড় পরীক্ষা।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ধাপে ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা এবং পৌরসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন। দীর্ঘদিন ধরে ঝিমিয়ে থাকা মাঠপর্যায়ের রাজনীতিতে এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরতে শুরু করেছে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতোমধ্যে নিজ নিজ এলাকায় জনসংযোগ শুরু করেছেন। বিশেষ করে বড় রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে এই নির্বাচন এখন অস্তিত্ব প্রমাণের লড়াই হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগের চেয়ে ভিন্নতর হবে। ভোটারদের প্রত্যাশা, একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তারা তাদের পছন্দের জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারবেন। অন্যদিকে, রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলো যোগ্য প্রার্থী বাছাই করা এবং দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখা। তৃণমূলের এই লড়াইয়ে যারা জয়ী হবেন, তারাই আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকবেন।
সাধারণ ভোটারদের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হলেও, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা এবং নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জোরালো হচ্ছে। স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে এবং সুশাসন নিশ্চিত করতে একটি অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। এই নির্বাচনের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে আগামীর তৃণমূল রাজনীতির গতিপথ।
রিপোর্টারের নাম 


















