চুয়াডাঙ্গার চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সম্প্রতি জেলার দুই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের সঙ্গে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল এবং চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোঃ রুহুল আমিন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. হাদি জিয়া উদ্দিন, সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাসসহ স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মতবিনিময় সভায় জেলার স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন, রোগীদের প্রতি মানবিক ও সংবেদনশীল আচরণ নিশ্চিত করা এবং স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার ওপর জোর দেওয়া হয়। দুই সংসদ সদস্য হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সেবা প্রদানের আহ্বান জানান।
এদিকে, এই সভার সময় রোগীদের ভোগান্তির শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে স্থানীয় একটি অনলাইন মাধ্যমে ভিডিও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগকে বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছে। তাদের ভাষ্যমতে, সভাটি স্বল্প সময়ের জন্য অনুষ্ঠিত হয় এবং ওই সময়েও হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা স্বাভাবিক গতিতেই চলমান ছিল।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস জানান, হাসপাতালের বিভিন্ন উন্নয়ন ও সেবা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সংসদ সদস্যদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলোচনা হয়েছে, যা রোগীদের চিকিৎসা সেবায় কোনো উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেনি।
চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেলও অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “সাড়ে বারোটার পর স্বল্প সময়ের জন্য আমাদের মতবিনিময় হয়েছে। আমরা যখন সভাকক্ষে প্রবেশ করি, তখনও রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। সভা শেষে বের হওয়ার সময়ও চিকিৎসা কার্যক্রম চলমান ছিল। চুয়াডাঙ্গার স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতে আমরা কাজ করছি এবং মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে এই কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করা যাবে না।”
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, জেলার স্বাস্থ্যসেবা আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করতে এ ধরনের সমন্বয় সভা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
রিপোর্টারের নাম 





















