বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এসএম নেওয়াজ সোহাগ স্টেডিয়াম অঙ্গনে দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হয়েছেন। আজ (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে ইফতার শেষে বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশন থেকে বের হওয়ার সময় তাকে লক্ষ্য করে গালমন্দ ও হুমকি দেওয়া হয়। এ সময় তার গাড়িতে পানির বোতল ও স্যান্ডেলও নিক্ষেপ করে হামলাকারীরা।
জানা গেছে, বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতির ইফতার শেষে বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশন থেকে বের হচ্ছিলেন কাবাডি ফেডারেশনের সম্পাদক সোহাগ। হঠাৎ কিছুসংখ্যক লোক তাকে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ বলে গালমন্দ শুরু করে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সোহাগ দ্রুত বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) মহাসচিব জোবায়দুর রহমান রানার গাড়িতে উঠে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা গাড়ির দরজার কাছে গিয়ে তাকে স্টেডিয়াম অঙ্গনে আর না আসার জন্য শাসায় এবং হুমকি দেয়। দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় সোহাগের গাড়ি লক্ষ্য করে পানির বোতল ও স্যান্ডেল ছুঁড়ে মারে দুর্বৃত্তরা। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে ক্রীড়া সাংবাদিক বদিউজ্জামান মিলন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হামলায় জড়িতদের চিহ্নিত করে কাবাডি সম্পাদক সোহাগ দাবি করেন, আরামবাগের নেতা আনোয়ার হোসেন আনু ও দেলোয়ারের নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি জানান, দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে সরে যেতে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) মহাসচিব জোবায়দুর রহমান রানা ও মেজর ইমরোজ তাকে নিজেদের গাড়িতে তুলে দেন। সোহাগ বলেন, ‘গাড়িটি আমার ছিল না, রানা ভাইয়ের ছিল। রানা ভাই ও মেজর ইমরোজ আমাকে বাঁচাতে গাড়িতে তুলে দেন।’
হামলার ঘটনার পর তিনি বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের সভাপতি (বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক বাহারুল আলম) এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ‘দেখি উনারা কী করেন। তা না হলে আমাকেই আইনি পথে হাঁটতে হবে।’
রিপোর্টারের নাম 

























