ঢাকা ০৭:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

রমজানের প্রথম দিনেই চট্টগ্রামে ইফতার সামগ্রীর মেলা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১০:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

বছর ঘুরে পবিত্র মাহে রমজান আবার ফিরে এসেছে। বুধবার শেষ রাতে সেহেরি খেয়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা রোজা পালন শুরু করেছেন। দিনভর সংযম সাধনার পর ইফতারের মাধ্যমে প্রথম রোজার সমাপ্তি ঘটে। রোজার প্রথম দিনেই বন্দর নগরী চট্টগ্রামে ইফতার বাজার জমে উঠেছে। শহরের অলিগলিতে ছোট দোকান থেকে শুরু করে অভিজাত হোটেল-রেস্তোরাঁ পর্যন্ত, সবখানেই ব্যবসায়ীরা নানা ধরনের ইফতার সামগ্রী নিয়ে হাজির হয়েছেন।

দুপুর থেকেই বিভিন্ন এলাকায় কেনাবেচা শুরু হয় এবং বিকেল নাগাদ ক্রেতাদের ভিড় বাড়তে থাকে। চকবাজার, কাজীর দেউড়ি, মুরাদপুর, জিইসি, বহদ্দারহাট, নিউমার্কেট, আগ্রাবাদ, অক্সিজেন এবং ওয়াসামোড় এলাকার রেস্তোরাঁ ও অস্থায়ী দোকানগুলোতে উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। রেশমি জিলাপি, বোম্বে জিলাপি, শাহী হালিম, ছোলা, পেঁয়াজু, ডিম চপ, আলুর চপ, কাবাব, গ্রিল চিকেন, গরুর কালো ভুনা, কাচ্চি, মগজ ভুনা এবং বিভিন্ন ধরনের শরবতের প্রতি ক্রেতাদের বিশেষ আগ্রহ ছিল। ইফতারে খেজুর ও ফলের চাহিদা বেশি থাকায় রাস্তার মোড়ে মোড়ে ফলের দোকানগুলোতেও প্রচুর ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

বহদ্দারহাটের হোটেল জামানসহ বিভিন্ন হোটেল শতাধিক আইটেম নিয়ে ইফতারের আয়োজন করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রথম রমজান থেকেই বিশেষ আয়োজন রাখা হয়েছে এবং মেজবানি মাংসও ইফতারের তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে, চকবাজারের ভ্রাম্যমাণ দোকানি জসিম উদ্দিন জানান, তিনি প্রতি বছরের মতো এবারও বাড়িতে তৈরি ১২ ধরনের ইফতার সামগ্রী নিয়ে বসেছেন। ক্রেতা-বিক্রেতাদের কোলাহল এবং কেনাবেচার প্রাণবন্ত পরিবেশে নগরীর ইফতার বাজার যেন নতুন জীবন ফিরে পেয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ব্যাপক হামলা: আঞ্চলিক উত্তেজনায় নতুন মাত্রা

রমজানের প্রথম দিনেই চট্টগ্রামে ইফতার সামগ্রীর মেলা

আপডেট সময় : ১০:১০:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বছর ঘুরে পবিত্র মাহে রমজান আবার ফিরে এসেছে। বুধবার শেষ রাতে সেহেরি খেয়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা রোজা পালন শুরু করেছেন। দিনভর সংযম সাধনার পর ইফতারের মাধ্যমে প্রথম রোজার সমাপ্তি ঘটে। রোজার প্রথম দিনেই বন্দর নগরী চট্টগ্রামে ইফতার বাজার জমে উঠেছে। শহরের অলিগলিতে ছোট দোকান থেকে শুরু করে অভিজাত হোটেল-রেস্তোরাঁ পর্যন্ত, সবখানেই ব্যবসায়ীরা নানা ধরনের ইফতার সামগ্রী নিয়ে হাজির হয়েছেন।

দুপুর থেকেই বিভিন্ন এলাকায় কেনাবেচা শুরু হয় এবং বিকেল নাগাদ ক্রেতাদের ভিড় বাড়তে থাকে। চকবাজার, কাজীর দেউড়ি, মুরাদপুর, জিইসি, বহদ্দারহাট, নিউমার্কেট, আগ্রাবাদ, অক্সিজেন এবং ওয়াসামোড় এলাকার রেস্তোরাঁ ও অস্থায়ী দোকানগুলোতে উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। রেশমি জিলাপি, বোম্বে জিলাপি, শাহী হালিম, ছোলা, পেঁয়াজু, ডিম চপ, আলুর চপ, কাবাব, গ্রিল চিকেন, গরুর কালো ভুনা, কাচ্চি, মগজ ভুনা এবং বিভিন্ন ধরনের শরবতের প্রতি ক্রেতাদের বিশেষ আগ্রহ ছিল। ইফতারে খেজুর ও ফলের চাহিদা বেশি থাকায় রাস্তার মোড়ে মোড়ে ফলের দোকানগুলোতেও প্রচুর ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

বহদ্দারহাটের হোটেল জামানসহ বিভিন্ন হোটেল শতাধিক আইটেম নিয়ে ইফতারের আয়োজন করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রথম রমজান থেকেই বিশেষ আয়োজন রাখা হয়েছে এবং মেজবানি মাংসও ইফতারের তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে, চকবাজারের ভ্রাম্যমাণ দোকানি জসিম উদ্দিন জানান, তিনি প্রতি বছরের মতো এবারও বাড়িতে তৈরি ১২ ধরনের ইফতার সামগ্রী নিয়ে বসেছেন। ক্রেতা-বিক্রেতাদের কোলাহল এবং কেনাবেচার প্রাণবন্ত পরিবেশে নগরীর ইফতার বাজার যেন নতুন জীবন ফিরে পেয়েছে।