একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে পূর্ণ মন্ত্রীত্ব লাভের পর নিজ নির্বাচনী এলাকা সিলেটে ফিরেছেন নবনির্বাচিত মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। বিমানবন্দরে তাকে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা জানানো হয়। নেতাকর্মী, সমর্থক এবং এলাকার বিশিষ্টজনদের ভালোবাসায় সিক্ত হন তিনি। জেলা প্রশাসক মো. সরওয়ার আলমও তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
শুভেচ্ছার জবাবে নবীন মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “ক্ষমতার চেয়ে শেকড়ের টানই বড়। মায়ের আশীর্বাদ মাথায় নিয়ে মানুষের জন্য আমার নতুন পথচলা শুরু হলো।” প্রধানমন্ত্রী তাকে যে সম্মান দিয়েছেন, তা তিনি তার নির্বাচনী এলাকা এবং সিলেটবাসীর জন্য উপহার হিসেবে উল্লেখ করেন।
বৃহস্পতিবার সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী বলেন, “সিলেট-৪ আসনের জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ এলাকার জনগণ ভোটের মাধ্যমে যে রায় দিয়েছেন, সেই রায়ের প্রতি সম্মান জানিয়ে আমাদের প্রধানমন্ত্রী যে উপহার আমাকে দিয়েছেন, তা আসলে আমার নির্বাচনী এলাকার জনগণ ও সিলেটবাসীরই উপহার।” তিনি এই আসনের সর্বস্তরের মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসা ও সমর্থনের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এর পূর্বে, মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী নিজের বাসায় এসে মমতাময়ী মা ও শ্বাশুরিকে কদমূচি করেন এবং পারিবারিক শুভেচ্ছা অনুষ্ঠানে যোগ দেন। পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে একটি সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী আরও বলেন, “মানুষের আশা-প্রত্যাশা পূরণে আমরা দায়বদ্ধ। সেই দায়িত্ব যেন আমরা সঠিকভাবে পালন করতে পারি, সেজন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করি। হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে সবাইকে সাথে নিয়ে সুন্দর পরিবেশ, সমাজ ও দেশ গড়তে চাই।” তিনি জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষের দেওয়া প্রতিদানের জন্য তাদের কাছে ঋণী বলে জানান।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় ঋণ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাকসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 























