ঢাকা ০৭:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান: নথিপত্র যাচাইয়ের ‘ওপেন চ্যালেঞ্জ’ নোবিপ্রবি উপাচার্যের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১১:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) সাম্প্রতিক শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বৈধতা নিয়ে যে কোনো পক্ষকে নথিপত্র যাচাইয়ের ‘ওপেন চ্যালেঞ্জ’ ছুড়ে দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে এই সভার আয়োজন করা হয়। এর আগে গত বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থি একদল শিক্ষক সংবাদ সম্মেলন করে বর্তমান প্রশাসনের বিরুদ্ধে নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিলেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল বলেন, “নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অস্বচ্ছতা রাখা হয়নি। প্রতিটি প্রার্থীর লিখিত পরীক্ষা, ব্যবহারিক পরীক্ষা এবং মৌখিক প্রেজেন্টেশনের নম্বর আলাদাভাবে সংরক্ষিত আছে। নিয়োগ বোর্ডের সকল সদস্যের স্বাক্ষর সংবলিত সেই নথিপত্র আমাদের কাছে রয়েছে। যারা আজ অভিযোগ তুলছেন, তাদের অনেকেই এসব পরীক্ষার ডিউটি দিয়েছেন এবং খাতা মূল্যায়নের পর ফলাফলে স্বাক্ষর করেছেন। যোগ্য প্রার্থীদের মেধা যাচাই করেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।”

নিয়োগে কোনো বিশেষ পক্ষকে সুবিধা দেওয়া হয়নি উল্লেখ করে উপাচার্য আরও বলেন, “আমরা কোনো ধর্ম, বর্ণ বা রাজনৈতিক গোষ্ঠী বিবেচনা করিনি; মেধাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছি। আপনারা চাইলে যে কোনো সময় নিয়োগের নথিপত্র এবং প্রার্থীদের প্রাপ্ত নম্বর যাচাই করে দেখতে পারেন। আমরা সবসময় এই চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত আছি।”

কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের বিষয়ে তিনি জানান, এক্ষেত্রে ৩০ নম্বরের লিখিত এবং ৩০ নম্বরের ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। উপ-উপাচার্যের নেতৃত্বে গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এরপর সরকারি বিধি মোতাবেক গঠিত বোর্ড মেম্বারদের সর্বসম্মতিক্রমে চূড়ান্ত ফলাফল প্রস্তুত করা হয়েছে। এখানে ব্যক্তিগতভাবে কাউকে সুবিধা দেওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না।

মতবিনিময় সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, রেজিস্ট্রারসহ শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান উন্নয়ন প্রকল্প ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রীর আত্মহত্যা: আলভী, তিথিসহ একাধিকজনের বিরুদ্ধে মামলা

নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান: নথিপত্র যাচাইয়ের ‘ওপেন চ্যালেঞ্জ’ নোবিপ্রবি উপাচার্যের

আপডেট সময় : ০৮:১১:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) সাম্প্রতিক শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বৈধতা নিয়ে যে কোনো পক্ষকে নথিপত্র যাচাইয়ের ‘ওপেন চ্যালেঞ্জ’ ছুড়ে দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে এই সভার আয়োজন করা হয়। এর আগে গত বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থি একদল শিক্ষক সংবাদ সম্মেলন করে বর্তমান প্রশাসনের বিরুদ্ধে নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিলেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল বলেন, “নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অস্বচ্ছতা রাখা হয়নি। প্রতিটি প্রার্থীর লিখিত পরীক্ষা, ব্যবহারিক পরীক্ষা এবং মৌখিক প্রেজেন্টেশনের নম্বর আলাদাভাবে সংরক্ষিত আছে। নিয়োগ বোর্ডের সকল সদস্যের স্বাক্ষর সংবলিত সেই নথিপত্র আমাদের কাছে রয়েছে। যারা আজ অভিযোগ তুলছেন, তাদের অনেকেই এসব পরীক্ষার ডিউটি দিয়েছেন এবং খাতা মূল্যায়নের পর ফলাফলে স্বাক্ষর করেছেন। যোগ্য প্রার্থীদের মেধা যাচাই করেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।”

নিয়োগে কোনো বিশেষ পক্ষকে সুবিধা দেওয়া হয়নি উল্লেখ করে উপাচার্য আরও বলেন, “আমরা কোনো ধর্ম, বর্ণ বা রাজনৈতিক গোষ্ঠী বিবেচনা করিনি; মেধাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছি। আপনারা চাইলে যে কোনো সময় নিয়োগের নথিপত্র এবং প্রার্থীদের প্রাপ্ত নম্বর যাচাই করে দেখতে পারেন। আমরা সবসময় এই চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত আছি।”

কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের বিষয়ে তিনি জানান, এক্ষেত্রে ৩০ নম্বরের লিখিত এবং ৩০ নম্বরের ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। উপ-উপাচার্যের নেতৃত্বে গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এরপর সরকারি বিধি মোতাবেক গঠিত বোর্ড মেম্বারদের সর্বসম্মতিক্রমে চূড়ান্ত ফলাফল প্রস্তুত করা হয়েছে। এখানে ব্যক্তিগতভাবে কাউকে সুবিধা দেওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না।

মতবিনিময় সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, রেজিস্ট্রারসহ শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান উন্নয়ন প্রকল্প ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।