টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব অক্ষুণ্ণ রেখে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হিসেবে সুপার এইটে পৌঁছেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে নিজেদের চতুর্থ ও শেষ ম্যাচেও সহজ জয় তুলে নিয়েছে এইডেন মার্করামের নেতৃত্বাধীন দলটি। যদিও ফিল্ডিংয়ে কিছু সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে, তবে ব্যাটারদের নৈপুণ্যে ১২২ রানের লক্ষ্যমাত্রা সহজেই পার করে ছয় উইকেটের বড় জয় নিশ্চিত করেছে প্রোটিয়া বাহিনী। এই জয়ে চার ম্যাচের চারটিতেই জয়লাভ করে ‘ডি’ গ্রুপ থেকে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে তারা।
দিল্লির অরুন জেটলি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে, দক্ষিণ আফ্রিকার ফিল্ডাররা তাদের মানের তুলনায় কিছুটা খামতি রেখেছে। চারটি সহজ ক্যাচ হাতছাড়া করার ঘটনাও ঘটেছে, যা তাদের জন্য খানিকটা অস্বস্তিকর ছিল। তবে, প্রতিপক্ষ সংযুক্ত আরব আমিরাত এই সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারেনি। প্রোটিয়া ফিল্ডারদের ভুলের সদ্ব্যবহার করে তারা নির্ধারিত ২০ ওভারে ছয় উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে মাত্র ১২২ রান। আমিরাতের পক্ষে আলিশান শরাফু সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন, এবং অধিনায়ক মুহাম্মদ ওয়াসিম ২২ রানের একটি কার্যকরী ইনিংস খেলেন।
১২৩ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকার শুরুটা ছিল আক্রমণাত্মক। ডেভাল্দ ব্রেভিস ২৫ বলে ৩৬ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নিয়ে যান। রায়ান রিকেলটন ১৬ বলে ৩০ এবং অধিনায়ক মার্করাম ১১ বলে ২৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে জয়ের ব্যবধান আরো কমিয়ে আনেন। কুইন্টন ডি কক ১৪ রান যোগ করেন। মাত্র ১৩.২ ওভারেই চার উইকেট হারিয়ে তারা জয় তুলে নেয়। এই জয়ে ‘ডি’ গ্রুপে আট পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তাদের সঙ্গী হিসেবে সুপার এইটে উঠেছে ছয় পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা নিউজিল্যান্ড। আফগানিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং কানাডার বিদায় নিশ্চিত হয়েছে এই গ্রুপ থেকে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
সংযুক্ত আরব আমিরাত: ১২২/৬ (২০ ওভার)
(আলিশান শরাফু ৪৫, মুহাম্মদ ওয়াসিম ২২, আর্যাংশ ১৩)
(কর্স বশ ৩/১২, লুঙ্গি এনগিডি ২/২৮, তাবরেজ শামসি ১/১৭)
দক্ষিণ আফ্রিকা: ১২৩/৪ (১৩.২ ওভার)
(ডেভাল্দ ব্রেভিস ৩৬, রায়ান রিকেলটন ৩০, এইডেন মার্করাম ২৮, কুইন্টন ডি কক ১৪)
(আলী আরফান ১/১৬, উমাইদ আরশাদ ১/১৯, জাওয়াদ উল্লাহ ১/২০)
ফলাফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ছয় উইকেটে জয়ী।
ম্যাচসেরা: করবিন বশ (দক্ষিণ আফ্রিকা)।
—
রিপোর্টারের নাম 

























