২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দল হিসেবে নিজেদের আসর শুরু করেছিল অস্ট্রেলিয়া। তবে, ২০০৯ সালের পর প্রথমবারের মতো গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়ার পর এবার নিজেদের পারফরম্যান্স নিয়ে গভীর পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)। এই অপ্রত্যাশিত ভরাডুবির কারণ অনুসন্ধানে বিস্তারিত বিশ্লেষণ করা হবে।
বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে ছাড়াই মাঠে নেমেছিল। দলের নিয়মিত সদস্য প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক এবং জশ হ্যাজলউড ইনজুরির কারণে খেলতে পারেননি। এছাড়াও, মিডল অর্ডারের অন্যতম ভরসা টিম ডেভিডও ছিলেন ইনজুরিতে।
অন্যদিকে, বিগব্যাশে দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করা স্টিভেন স্মিথকে মূল দলে রাখা হয়নি। তিনি সিডনি সিক্সার্সের হয়ে ৭৩ গড়ে এবং ১৭০-এর বেশি স্ট্রাইক রেটে ৮৭৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, অনুশীলনে অধিনায়ক মিচেল মার্শের গুরুতর চোটের পর তিনি স্ট্যান্ডবাই হিসেবে দলে যোগ দেন। বিশ্বকাপ দলে স্মিথের শুরুর দিকে অনুপস্থিতি নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে এবং সমালোচনাও হচ্ছে।
অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচক টনি ডোডেমেইড জানিয়েছেন, এই হতাশাজনক পারফরম্যান্স নিয়ে তারা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করবেন। শ্রীলঙ্কায় দলীয় হোটেলে তিনি বলেন, “টুর্নামেন্ট যেভাবে এগিয়েছে, তা সত্যিই হতাশাজনক। তবে শেষ ম্যাচটি ভালোভাবে শেষ করা গুরুত্বপূর্ণ। এরপর আমরা দেশে ফিরে পুরো বিষয়টি বিশ্লেষণ করব।”
স্মিথের ভূমিকা নিয়ে ডোডেমেইড আরও বলেন, “আমরা তাকে মূলত টপ অর্ডারের বিকল্প হিসেবেই বিবেচনা করি। তৃতীয় ম্যাচে তিনি সুযোগ পেতে পারতেন; কিন্তু তখন আমাদের সেরা জুটি মার্শ ও হেড দারুণ খেলছিল। যদি আরও পরিবর্তনের প্রয়োজন হতো, তাহলে ভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া যেত। তবে স্টিভ এখনো ওপেনিং পজিশনের বিকল্প হিসেবেই আছেন।”
অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি পেসার গ্লেন ম্যাকগ্রা দেশের ক্রিকেটারদের এমন বাজে পারফরম্যান্সে অবাক নন। তিনি বলেন, “বিশ্বকাপের শুরু থেকেই আমরা অস্ট্রেলিয়া নিয়ে চিন্তিত ছিলাম। প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজলউড ও মিচেল স্টার্কের মতো খেলোয়াড়দের অনুপস্থিতি দলের দুর্বলতা স্পষ্ট করে দিয়েছে। হঠাৎ করেই অস্ট্রেলিয়া দলের সেই আগের ভয়ভীতি আর নেই। দুর্ভাগ্যজনক হলেও বিষয়টি অবাক করার মতো নয়।”
রিপোর্টারের নাম 

























