ঢাকা ১১:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

সামরিক মহড়ার জেরে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল সীমিত করল ইরান

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২০:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে সাময়িকভাবে নৌযান চলাচল বন্ধ রেখেছিল ইরান। মঙ্গলবার দেশটির এলিট বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সেখানে একটি সামরিক মহড়া পরিচালনা করায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই কয়েক ঘণ্টার জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ রুটটি আংশিকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। তবে বর্তমানে সেখানে জাহাজ চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়েছে কি না, সে বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত স্পষ্ট কোনো বার্তা পাওয়া যায়নি।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথটি আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে রপ্তানি করা অপরিশোধিত তেলের একটি বিশাল অংশ এই হরমুজ প্রণালী হয়ে বিশ্ববাজারে পৌঁছায়। ফলে এই পথে যেকোনো ধরনের সামরিক তৎপরতা বা চলাচলে বিঘ্ন ঘটার বিষয়টি বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে বিশেষ উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। মূলত বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এই নৌপথটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্রদলের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের লাগাম টেনে ধরুন, অন্যথায় পরিণতি ভয়াবহ হবে: জামায়াত

সামরিক মহড়ার জেরে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল সীমিত করল ইরান

আপডেট সময় : ০৯:২০:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে সাময়িকভাবে নৌযান চলাচল বন্ধ রেখেছিল ইরান। মঙ্গলবার দেশটির এলিট বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সেখানে একটি সামরিক মহড়া পরিচালনা করায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই কয়েক ঘণ্টার জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ রুটটি আংশিকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। তবে বর্তমানে সেখানে জাহাজ চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়েছে কি না, সে বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত স্পষ্ট কোনো বার্তা পাওয়া যায়নি।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথটি আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে রপ্তানি করা অপরিশোধিত তেলের একটি বিশাল অংশ এই হরমুজ প্রণালী হয়ে বিশ্ববাজারে পৌঁছায়। ফলে এই পথে যেকোনো ধরনের সামরিক তৎপরতা বা চলাচলে বিঘ্ন ঘটার বিষয়টি বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে বিশেষ উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। মূলত বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এই নৌপথটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হয়।