ঢাকা ০১:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি ড. শরীফ নাফে আস্-সাবের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০১:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের নতুন উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে যোগদান করেছেন প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ ড. শরীফ নাফে আস্-সাবের।

রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য (চ্যান্সেলর) প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট-২০১০ এর ৩১(১) ধারা অনুযায়ী যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী চার বছরের জন্য তাকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. ফারাহনাজ ফিরোজ প্রস্তাবিত অধ্যাপকদের মধ্য থেকে রাষ্ট্রপতি এ নিয়োগাদেশ দেন।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়টির পিআরডি ডিভিশনের প্রধান প্রদীপ্ত মোবারক সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান এবং শিক্ষকমণ্ডলীর উপস্থিতিতে ড. শরীফ নাফে আস্-সাবের দায়িত্বভার নেন।

ড. শরীফ নাফে আস্-সাবের একজন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একাডেমিক নেতা, কৌশলবিদ ও সুশাসনবিশেষজ্ঞ। তিন দশকেরও বেশি সময়ের কর্মজীবনে তিনি দেশ-বিদেশের বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। স্টামফোর্ডে যোগদানের আগে তিনি ওমানের সুলতান কাবুস বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান অনুষদের ব্যবস্থাপনা বিভাগে কর্মরত ছিলেন।

২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি জাতিসংঘের প্রিন্সিপলস অব ম্যানেজমেন্ট এডুকেশনের (মধ্যপ্রাচ্য অধ্যায়) ভাইস চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগে তিনি অস্ট্রেলিয়ার আরএমআইটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সহযোগী অধ্যাপক, ডেপুটি হেড, অ্যাসোসিয়েট ডিন (রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন), ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের পদে ছিলেন।

শিক্ষাজীবনে তিনি তাসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি, মনাশ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র সুশাসন, জননীতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, নৈতিকতা এবং আন্তর্জাতিক ব্যবসায় কৌশল। তিনি অস্ট্রেলিয়ান রিসার্চ কাউন্সিলসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার অনুদান লাভ করেছেন এবং একাধিক পিএইচডি গবেষক তত্ত্বাবধান করেছেন। 

একাডেমিক ক্ষেত্রের বাইরে তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে স্থানীয় সরকারপ্রধানসহ নানাবিধ দায়িত্ব পালন করেন। শিক্ষা, গবেষণা ও জনসম্পৃক্ততায় তার অবদান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃত ও প্রশংসিত।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে কঠোর হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের প্রেসিডেন্টের

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি ড. শরীফ নাফে আস্-সাবের

আপডেট সময় : ০৬:০১:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের নতুন উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে যোগদান করেছেন প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ ড. শরীফ নাফে আস্-সাবের।

রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য (চ্যান্সেলর) প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট-২০১০ এর ৩১(১) ধারা অনুযায়ী যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী চার বছরের জন্য তাকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. ফারাহনাজ ফিরোজ প্রস্তাবিত অধ্যাপকদের মধ্য থেকে রাষ্ট্রপতি এ নিয়োগাদেশ দেন।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়টির পিআরডি ডিভিশনের প্রধান প্রদীপ্ত মোবারক সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান এবং শিক্ষকমণ্ডলীর উপস্থিতিতে ড. শরীফ নাফে আস্-সাবের দায়িত্বভার নেন।

ড. শরীফ নাফে আস্-সাবের একজন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একাডেমিক নেতা, কৌশলবিদ ও সুশাসনবিশেষজ্ঞ। তিন দশকেরও বেশি সময়ের কর্মজীবনে তিনি দেশ-বিদেশের বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। স্টামফোর্ডে যোগদানের আগে তিনি ওমানের সুলতান কাবুস বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান অনুষদের ব্যবস্থাপনা বিভাগে কর্মরত ছিলেন।

২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি জাতিসংঘের প্রিন্সিপলস অব ম্যানেজমেন্ট এডুকেশনের (মধ্যপ্রাচ্য অধ্যায়) ভাইস চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগে তিনি অস্ট্রেলিয়ার আরএমআইটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সহযোগী অধ্যাপক, ডেপুটি হেড, অ্যাসোসিয়েট ডিন (রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন), ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের পদে ছিলেন।

শিক্ষাজীবনে তিনি তাসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি, মনাশ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র সুশাসন, জননীতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, নৈতিকতা এবং আন্তর্জাতিক ব্যবসায় কৌশল। তিনি অস্ট্রেলিয়ান রিসার্চ কাউন্সিলসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার অনুদান লাভ করেছেন এবং একাধিক পিএইচডি গবেষক তত্ত্বাবধান করেছেন। 

একাডেমিক ক্ষেত্রের বাইরে তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে স্থানীয় সরকারপ্রধানসহ নানাবিধ দায়িত্ব পালন করেন। শিক্ষা, গবেষণা ও জনসম্পৃক্ততায় তার অবদান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃত ও প্রশংসিত।