ঢাকা ০৯:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার মেলবন্ধনে তারেক রহমানের প্রথম মন্ত্রিসভা: আলোচনায় নতুন ও পুরোনো মুখ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২২:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর সরকার গঠনের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আগামীকাল (মঙ্গলবার) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন একটাই আলোচনা—কেমন হতে যাচ্ছে দলের প্রথম মন্ত্রিসভা? প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হতে যাওয়া তারেক রহমান তার মন্ত্রিসভা গঠনে প্রবীণদের অভিজ্ঞতা ও নতুন নেতৃত্বের সমন্বয়ে এক গতিশীল প্রশাসন উপহার দিতে চান।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমান একটি কার্যকর ও বার্তাবাহী মন্ত্রিসভা গঠনের ওপর জোর দিচ্ছেন। এ লক্ষ্যে নির্বাচনের পরদিন থেকেই তিনি গুলশান কার্যালয়ে দলের শীর্ষস্থানীয় নেতা ও শুভানুধ্যায়ীদের সঙ্গে নিবিড় বৈঠক করছেন। অভিজ্ঞদের পাশাপাশি একাধিক নতুন মুখ এবং বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টাকেও নতুন মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এবারের মন্ত্রিসভা শুধু ক্ষমতার ভারসাম্য নয়, বরং প্রশাসনিক দক্ষতা, জনমুখী ভাবমূর্তি এবং সুশাসনের প্রতি অঙ্গীকারের বার্তা দেবে। বিশেষ করে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রশাসনিক সংস্কারকে সামনে রেখে দক্ষ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। অর্থ, স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র, স্থানীয় সরকার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য—এই ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদদের পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিদেরও দেখা যেতে পারে। নির্বাচনে ভালো করা কয়েকজন নতুন সংসদ সদস্যও মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে পারেন।

দলের দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকা নেতাদের মূল্যায়ন করা হবে। তবে বিতর্কিত বা জনসমালোচিত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি এড়িয়ে একটি পরিষ্কার ভাবমূর্তির মন্ত্রিসভা গঠনের চেষ্টা থাকবে বলে দলীয় নেতারা ইঙ্গিত দিয়েছেন। একজন সিনিয়র নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী এমন মানুষদের অগ্রাধিকার দিচ্ছেন, যারা শুধু রাজনৈতিক সমীকরণ নয়, বরং বাস্তবে কাজ করতে পারবেন।”

রাজধানীসহ সারা দেশের রাজনৈতিক মহল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এখন সম্ভাব্য মন্ত্রীদের নাম। কে পাচ্ছেন কোন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব—তা নিয়ে চলছে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে শপথের দিনই। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা, নতুন সরকার শুরুতেই শক্ত বার্তা দিতে চাইবে, আর সে কারণেই মন্ত্রিসভা গঠনই হতে যাচ্ছে সরকারের প্রথম রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরীক্ষা।

তরুণদের মধ্যে যারা আলোচনায় আছেন:
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, ড. হুমায়ুন কবির (টেকনোক্র্যাট), সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান, ড. মাহদী আমিন (টেকনোক্র্যাট), ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার (টেকনোক্র্যাট), সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম (টেকনোক্র্যাট), প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম (টেকনোক্র্যাট), মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবীন (টেকনোক্র্যাট), ড. রেজা কিবরিয়া, সাঈদ আল নোমান এবং খন্দকার আবু আশফাক।

সিনিয়রদের মধ্যে যারা আলোচনায় আছেন:
বিএনপির ২০০১-২০০৬ সরকারের সময়ের বেশ কয়েকজন মন্ত্রীকে এবারের মন্ত্রিপরিষদেও রাখার কথা ভাবছে দলটি। এছাড়া মাঠের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় একাধিক নেতাকে মন্ত্রিসভায় রাখার বিষয়ে আলোচনা চলছে। এদের মধ্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি অথবা উপরাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে দেখা যেতে পারে। মন্ত্রণালয়ের জন্য আলোচনায় আছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ড. এজেডএম জাহিদ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু, শামসুজ্জামান দুদু, জয়নাল আবেদীন ফারুক, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, ইসমাঈল জবিউল্লাহ (টেকনোক্র্যাট), মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, আ ন ম এহসানুল হক মিলন এবং দলটির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল (টেকনোক্র্যাট)।

যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের অন্তর্ভুক্তি:
কয়েক বছর আগেই আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দাবি ও যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলো নিয়ে জাতীয় সরকারের ঘোষণা দিয়েছিল বিএনপি। ফলে নতুন মন্ত্রিপরিষদে থাকছে যুগপৎ আন্দোলনের একাধিক নেতা। দলটির নেতারা বলছেন, দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে যারা একসঙ্গে ছিল, সরকার গঠন প্রক্রিয়াতেও তাদের অংশীদারত্ব নিশ্চিত করা হবে। অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিনিধিত্বশীল কাঠামোর মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনর্গঠন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণই হবে এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। জোটের শরিকদের মধ্যে গণসংহতি আন্দোলনের আহ্বায়ক জোনায়েদ সাকি, এনডিএম ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দেওয়া ববি হাজ্জাজ, বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নুরু এবং টেকনোক্র্যাট কোটায় ১২ দলীয় জোট প্রধান ও জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার ও মাহমুদুর রহমান মান্নার নামও শোনা যাচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীর জোয়ারসাহারায় যাত্রা শুরু করল ‘স্বপ্ন’র নতুন আউটলেট

তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার মেলবন্ধনে তারেক রহমানের প্রথম মন্ত্রিসভা: আলোচনায় নতুন ও পুরোনো মুখ

আপডেট সময় : ০৪:২২:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর সরকার গঠনের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আগামীকাল (মঙ্গলবার) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন একটাই আলোচনা—কেমন হতে যাচ্ছে দলের প্রথম মন্ত্রিসভা? প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হতে যাওয়া তারেক রহমান তার মন্ত্রিসভা গঠনে প্রবীণদের অভিজ্ঞতা ও নতুন নেতৃত্বের সমন্বয়ে এক গতিশীল প্রশাসন উপহার দিতে চান।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমান একটি কার্যকর ও বার্তাবাহী মন্ত্রিসভা গঠনের ওপর জোর দিচ্ছেন। এ লক্ষ্যে নির্বাচনের পরদিন থেকেই তিনি গুলশান কার্যালয়ে দলের শীর্ষস্থানীয় নেতা ও শুভানুধ্যায়ীদের সঙ্গে নিবিড় বৈঠক করছেন। অভিজ্ঞদের পাশাপাশি একাধিক নতুন মুখ এবং বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টাকেও নতুন মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এবারের মন্ত্রিসভা শুধু ক্ষমতার ভারসাম্য নয়, বরং প্রশাসনিক দক্ষতা, জনমুখী ভাবমূর্তি এবং সুশাসনের প্রতি অঙ্গীকারের বার্তা দেবে। বিশেষ করে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রশাসনিক সংস্কারকে সামনে রেখে দক্ষ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। অর্থ, স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র, স্থানীয় সরকার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য—এই ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদদের পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিদেরও দেখা যেতে পারে। নির্বাচনে ভালো করা কয়েকজন নতুন সংসদ সদস্যও মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে পারেন।

দলের দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকা নেতাদের মূল্যায়ন করা হবে। তবে বিতর্কিত বা জনসমালোচিত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি এড়িয়ে একটি পরিষ্কার ভাবমূর্তির মন্ত্রিসভা গঠনের চেষ্টা থাকবে বলে দলীয় নেতারা ইঙ্গিত দিয়েছেন। একজন সিনিয়র নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী এমন মানুষদের অগ্রাধিকার দিচ্ছেন, যারা শুধু রাজনৈতিক সমীকরণ নয়, বরং বাস্তবে কাজ করতে পারবেন।”

রাজধানীসহ সারা দেশের রাজনৈতিক মহল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এখন সম্ভাব্য মন্ত্রীদের নাম। কে পাচ্ছেন কোন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব—তা নিয়ে চলছে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে শপথের দিনই। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা, নতুন সরকার শুরুতেই শক্ত বার্তা দিতে চাইবে, আর সে কারণেই মন্ত্রিসভা গঠনই হতে যাচ্ছে সরকারের প্রথম রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরীক্ষা।

তরুণদের মধ্যে যারা আলোচনায় আছেন:
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, ড. হুমায়ুন কবির (টেকনোক্র্যাট), সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান, ড. মাহদী আমিন (টেকনোক্র্যাট), ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার (টেকনোক্র্যাট), সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম (টেকনোক্র্যাট), প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম (টেকনোক্র্যাট), মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবীন (টেকনোক্র্যাট), ড. রেজা কিবরিয়া, সাঈদ আল নোমান এবং খন্দকার আবু আশফাক।

সিনিয়রদের মধ্যে যারা আলোচনায় আছেন:
বিএনপির ২০০১-২০০৬ সরকারের সময়ের বেশ কয়েকজন মন্ত্রীকে এবারের মন্ত্রিপরিষদেও রাখার কথা ভাবছে দলটি। এছাড়া মাঠের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় একাধিক নেতাকে মন্ত্রিসভায় রাখার বিষয়ে আলোচনা চলছে। এদের মধ্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি অথবা উপরাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে দেখা যেতে পারে। মন্ত্রণালয়ের জন্য আলোচনায় আছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ড. এজেডএম জাহিদ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু, শামসুজ্জামান দুদু, জয়নাল আবেদীন ফারুক, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, ইসমাঈল জবিউল্লাহ (টেকনোক্র্যাট), মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, আ ন ম এহসানুল হক মিলন এবং দলটির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল (টেকনোক্র্যাট)।

যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের অন্তর্ভুক্তি:
কয়েক বছর আগেই আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দাবি ও যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলো নিয়ে জাতীয় সরকারের ঘোষণা দিয়েছিল বিএনপি। ফলে নতুন মন্ত্রিপরিষদে থাকছে যুগপৎ আন্দোলনের একাধিক নেতা। দলটির নেতারা বলছেন, দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে যারা একসঙ্গে ছিল, সরকার গঠন প্রক্রিয়াতেও তাদের অংশীদারত্ব নিশ্চিত করা হবে। অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিনিধিত্বশীল কাঠামোর মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনর্গঠন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণই হবে এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। জোটের শরিকদের মধ্যে গণসংহতি আন্দোলনের আহ্বায়ক জোনায়েদ সাকি, এনডিএম ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দেওয়া ববি হাজ্জাজ, বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নুরু এবং টেকনোক্র্যাট কোটায় ১২ দলীয় জোট প্রধান ও জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার ও মাহমুদুর রহমান মান্নার নামও শোনা যাচ্ছে।