ঢাকা ১২:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

ফরিদপুরে ডিবি হেফাজতে শিক্ষার্থীর মৃত্যু: বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি আসকের

ফরিদপুরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্ত (২৪) নামে এক তরুণের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। সংস্থাটি এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছে। রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আসক তাদের এই অবস্থানের কথা জানায়।

নিহত প্রান্ত ফরিদপুর আইন মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং মধুখালী পৌরসভার গোন্দারদিয়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। ডিবির দাবি অনুযায়ী, গত ২০ জুন সন্ধ্যায় গাঁজাসহ তাকে আটক করা হয়। পরে ডিবি হেফাজতে থাকাকালীন তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে নিহতের পরিবারের অভিযোগ, গ্রেপ্তারের পর তাকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে, যার ফলে তার মৃত্যু হয়েছে।

আসক তাদের বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে যে, রাষ্ট্রীয় হেফাজতে যে কোনো মৃত্যু জনমনে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করে। সংবিধান অনুযায়ী নাগরিকের জীবনের সুরক্ষা দেওয়া রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। আন্তর্জাতিক নির্যাতনবিরোধী কনভেনশনের পক্ষভুক্ত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ হেফাজতে থাকা ব্যক্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাধ্য। এই ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে স্বচ্ছ তদন্ত জরুরি বলে মনে করে সংস্থাটি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় ছাত্রশিবির নেতাকে হত্যার ঘটনায় উত্তেজনা, আহত কর্মীর অবস্থা সংকটাপন্ন

ফরিদপুরে ডিবি হেফাজতে শিক্ষার্থীর মৃত্যু: বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি আসকের

আপডেট সময় : ১০:৩৬:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

ফরিদপুরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্ত (২৪) নামে এক তরুণের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। সংস্থাটি এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছে। রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আসক তাদের এই অবস্থানের কথা জানায়।

নিহত প্রান্ত ফরিদপুর আইন মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং মধুখালী পৌরসভার গোন্দারদিয়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। ডিবির দাবি অনুযায়ী, গত ২০ জুন সন্ধ্যায় গাঁজাসহ তাকে আটক করা হয়। পরে ডিবি হেফাজতে থাকাকালীন তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে নিহতের পরিবারের অভিযোগ, গ্রেপ্তারের পর তাকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে, যার ফলে তার মৃত্যু হয়েছে।

আসক তাদের বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে যে, রাষ্ট্রীয় হেফাজতে যে কোনো মৃত্যু জনমনে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করে। সংবিধান অনুযায়ী নাগরিকের জীবনের সুরক্ষা দেওয়া রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। আন্তর্জাতিক নির্যাতনবিরোধী কনভেনশনের পক্ষভুক্ত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ হেফাজতে থাকা ব্যক্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাধ্য। এই ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে স্বচ্ছ তদন্ত জরুরি বলে মনে করে সংস্থাটি।