ঢাকা ০৮:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৫ জনের কারাদণ্ড

বগুড়ায় চাঞ্চল্যকর শিশু রিফাত (৮) হত্যা মামলায় পাঁচজন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপর পাঁচজনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রবিবার দুপুরে বগুড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. আনোয়ারুল হক এই চাঞ্চল্যকর রায় ঘোষণা করেন। বগুড়ায় স্বাধীনতা যুদ্ধের পর এটিই প্রথম কোনো মামলায় পাঁচজনের ফাঁসির রায় বলে জানা গেছে। এই রায়ে নিহত শিশুর পরিবার সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ১৫ জুলাই বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা চলাকালীন সময়ে শিশু রিফাতকে অপহরণ করা হয়। পরিবারের সদস্য ও গ্রামবাসী রাতভর খোঁজাখুঁজির পর পরদিন শাজাহানপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। ঘটনার পর পুলিশ তৎপর হয়ে ওঠে এবং তদন্ত শুরু করে। ১৬ জুলাই সকালে রিফাতের বাবা এনামুলের মোবাইল ফোনে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িতদের পরিচয় নিশ্চিত করে এবং অভিযান চালিয়ে একাধিক আসামিকে আটক করে। তবে রিফাত হত্যার বিষয়ে তাদের কাছ থেকে কোনো স্বীকারোক্তি পাওয়া যায়নি। পরে ১৮ জুলাই সকালে উপজেলার পোয়ালগাছা ভদ্রাবতী স্রাবতী নদীর ব্রিজের নিচ থেকে রিফাতের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। এরপর রিফাতের বাবা এনামুল কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ: দ্বিপাক্ষিক শিক্ষা উন্নয়নে সহযোগিতার আগ্রহ

বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৫ জনের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৭:১২:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

বগুড়ায় চাঞ্চল্যকর শিশু রিফাত (৮) হত্যা মামলায় পাঁচজন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপর পাঁচজনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রবিবার দুপুরে বগুড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. আনোয়ারুল হক এই চাঞ্চল্যকর রায় ঘোষণা করেন। বগুড়ায় স্বাধীনতা যুদ্ধের পর এটিই প্রথম কোনো মামলায় পাঁচজনের ফাঁসির রায় বলে জানা গেছে। এই রায়ে নিহত শিশুর পরিবার সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ১৫ জুলাই বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা চলাকালীন সময়ে শিশু রিফাতকে অপহরণ করা হয়। পরিবারের সদস্য ও গ্রামবাসী রাতভর খোঁজাখুঁজির পর পরদিন শাজাহানপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। ঘটনার পর পুলিশ তৎপর হয়ে ওঠে এবং তদন্ত শুরু করে। ১৬ জুলাই সকালে রিফাতের বাবা এনামুলের মোবাইল ফোনে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িতদের পরিচয় নিশ্চিত করে এবং অভিযান চালিয়ে একাধিক আসামিকে আটক করে। তবে রিফাত হত্যার বিষয়ে তাদের কাছ থেকে কোনো স্বীকারোক্তি পাওয়া যায়নি। পরে ১৮ জুলাই সকালে উপজেলার পোয়ালগাছা ভদ্রাবতী স্রাবতী নদীর ব্রিজের নিচ থেকে রিফাতের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। এরপর রিফাতের বাবা এনামুল কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করেন।