ডিজিটাল যুগে আমরা প্রতিদিন অজান্তেই কিছু দিচ্ছি—নাম, বয়স, অবস্থান, পছন্দ-অপছন্দ, চিন্তা, অনুভূতি—এমনকি আমাদের ঘুম থেকে জাগার সময়টুকুও। প্রতিটি ক্লিক, সার্চ, লাইক ও স্ক্রল জমা হচ্ছে অদৃশ্য ভান্ডারে। বিনিময়ে আমরা পাচ্ছি ‘ফ্রি’ সেবা। কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায়—ডেটা আমরা দিচ্ছি, লাভ করছে কে?
প্রথম লাভবান হচ্ছে বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, সার্চ ইঞ্জিন, ই-কমার্স ও অ্যাপভিত্তিক সেবাগুলো আমাদের ডেটাকে রূপ দিচ্ছে পণ্যে।
রাষ্ট্রও এই ডেটা থেকে লাভবান হওয়ার চেষ্টা করছে—নজরদারি, নিরাপত্তা বা প্রশাসনিক ব্যবস্থার নামে। নাগরিকের আচরণ পর্যবেক্ষণ সহজ হচ্ছে, কিন্তু ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রশ্ন ক্রমেই ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে। অনেক সময় আমরা জানিই না, আমাদের কোন তথ্য কোথায়, কী উদ্দেশ্যে ব্যবহার হচ্ছে। এই অস্বচ্ছতাই সবচেয়ে বড় ঝুঁকি।
অন্যদিকে, ব্যবহারকারী হিসেবে আমরা কী পাচ্ছি? কিছুটা সুবিধা, কিছুটা বিনোদন আর বিনিময়ে হারাচ্ছি নিয়ন্ত্রণ। আমাদের ডেটা কীভাবে ব্যবহৃত হবে, কতদিন রাখা হবে, কার সঙ্গে শেয়ার করা হবে—এই সিদ্ধান্তে আমাদের অংশগ্রহণ প্রায় নেই। ডিজিটাল সম্মতির নামে যে লম্বা শর্তাবলি আমরা না পড়েই ‘এগ্রি’ করি, সেখানেই আমাদের অধিকার নীরবে হারিয়ে যায়।
রিপোর্টারের নাম 

























