ঢাকা ০৫:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রামে জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত: নির্বাচনী লড়াইয়ে শোচনীয় হার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৮ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) একমাত্র প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফের নির্বাচনী ফলাফল অত্যন্ত হতাশাজনক। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও তিনি মাত্র দুই হাজার ৯০৬ ভোট অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন, যা মোট প্রদত্ত ভোটের মাত্র শূন্য দশমিক ৫২ শতাংশ। এই শোচনীয় পারফরম্যান্সের ফলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার পথে।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম-৮ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল পাঁচ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৯ জন। এই আসনে মোট ভোট পড়েছে দুই লাখ ৫৬ হাজার ১৩৪টি। নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ বিপুল সংখ্যক ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৫০ হাজার ৭৩৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবু নাছের পেয়েছেন ৫২ হাজার ৩৩ ভোট।

নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী যদি তার আসনে প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগও না পান, তবে তার জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়। এনসিপির প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফ এই ন্যূনতম শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন। শুধু এনসিপি প্রার্থীই নন, এই আসনে আরও দুজন প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী নুরুল আলম পেয়েছেন এক হাজার ১৮৮ ভোট এবং ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থী এমদাদুল হক পেয়েছেন ৮৭০ ভোট।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম জেলার মোট ১৬টি আসনের মধ্যে ১৪টিতেই জয়লাভ করেছে বিএনপি। বাকি দুটি আসনে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের দাবি

চট্টগ্রামে জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত: নির্বাচনী লড়াইয়ে শোচনীয় হার

আপডেট সময় : ০৬:৩৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৮ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) একমাত্র প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফের নির্বাচনী ফলাফল অত্যন্ত হতাশাজনক। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও তিনি মাত্র দুই হাজার ৯০৬ ভোট অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন, যা মোট প্রদত্ত ভোটের মাত্র শূন্য দশমিক ৫২ শতাংশ। এই শোচনীয় পারফরম্যান্সের ফলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার পথে।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম-৮ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল পাঁচ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৯ জন। এই আসনে মোট ভোট পড়েছে দুই লাখ ৫৬ হাজার ১৩৪টি। নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ বিপুল সংখ্যক ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৫০ হাজার ৭৩৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবু নাছের পেয়েছেন ৫২ হাজার ৩৩ ভোট।

নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী যদি তার আসনে প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগও না পান, তবে তার জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়। এনসিপির প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফ এই ন্যূনতম শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন। শুধু এনসিপি প্রার্থীই নন, এই আসনে আরও দুজন প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী নুরুল আলম পেয়েছেন এক হাজার ১৮৮ ভোট এবং ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থী এমদাদুল হক পেয়েছেন ৮৭০ ভোট।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম জেলার মোট ১৬টি আসনের মধ্যে ১৪টিতেই জয়লাভ করেছে বিএনপি। বাকি দুটি আসনে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা।