ইরানের ওপর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বিত হামলা অব্যাহত রয়েছে। রাজধানী তেহরানসহ বুশেহর, উর্মিয়া, পারদিস ও পারচিনের মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে গত কয়েক ঘণ্টা ধরে তীব্র আক্রমণ চালানো হচ্ছে। এসব হামলায় বেসামরিক নাগরিক এবং সামরিক বাহিনীর সদস্যসহ অন্তত ৩০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। একইসাথে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অবকাঠামোর।
সংবাদ সংস্থাগুলোর খবর অনুযায়ী, তেহরান, বুশেহর এবং উর্মিয়ার মতো প্রধান শহরগুলো ছাড়াও পারদিস ও পারচিনের মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতেও দফায় দফায় হামলা চালানো হচ্ছে। এসব হামলায় আবাসিক এলাকা, সরকারি স্থাপনা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।
ইসফাহান গভর্নরেটের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার ইসফাহানের একটি নির্দিষ্ট স্থানে চালানো হামলায় তিনজন সাধারণ নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়েছে, কেরমানের সেনা বিমান ঘাঁটিতে চালানো হামলায় অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া, মিনাব শহরের একটি স্কুলে হামলার সময় ৩৫ জন শিক্ষক ও কর্মচারীর মধ্যে ১৪ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, যা শিক্ষা খাতে হামলার ভয়াবহতা তুলে ধরেছে।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের স্বাস্থ্য খাতের ওপর ব্যাপক আঘাত হানা হয়েছে। কমপক্ষে পাঁচটি বড় হাসপাতাল, বেশ কয়েকটি জরুরি সেবাকেন্দ্র এবং মোট ১০টি স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা কেন্দ্রকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তেহরান জরুরি বিভাগের প্রধান জানিয়েছেন, গত সোমবারের বিমান হামলায় অন্তত আটটি অ্যাম্বুলেন্স এবং অন্যান্য সহায়ক যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা আহতদের হাসপাতালে পৌঁছানোর কাজে বড় বাধা সৃষ্টি করছে। এই অব্যাহত হামলা ইরানের জনজীবন ও মৌলিক সেবা ব্যবস্থাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে।
রিপোর্টারের নাম 






















