ঢাকা ০৬:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

ইসরাইলের সামরিক স্থাপনায় হিজবুল্লাহর ‘পাল্টা হামলা’, নীরব তেল আবিব

লেবাননের বিভিন্ন শহরে ইসরাইলের অব্যাহত আগ্রাসনের কঠোর জবাব দিতে গিয়ে প্রতিবেশী দেশটির তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, তাদের এই পাল্টা হামলায় ইসরাইলের একাধিক সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। তবে তেল আবিবের পক্ষ থেকে এই আক্রমণের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

হিজবুল্লাহ তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে পৃথক তিনটি পোস্টে এই হামলার বিস্তারিত তথ্য দিয়েছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, গোলান মালভূমির নাফাহ ঘাঁটিতে একটি ‘বৃহৎ ক্ষেপণাস্ত্র’ আঘাত হেনেছে। একই সঙ্গে, উত্তর ইসরাইলের মেরন এবং রামাত ডেভিড বিমান ঘাঁটিতেও ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়েছে।

সংগঠনটি আরও জানিয়েছে, লেবাননে ইসরাইলের আগ্রাসী কার্যকলাপের প্রতিক্রিয়াস্বরূপ এই হামলা চালানো হয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এই হামলার দাবির সত্যতা নিশ্চিত করেনি বা কোনো মন্তব্যও করেনি। এই ঘটনার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাতারে মোসাদের গোপন তৎপরতা: দোহা অস্বীকার করলো অবগত থাকার তথ্য

ইসরাইলের সামরিক স্থাপনায় হিজবুল্লাহর ‘পাল্টা হামলা’, নীরব তেল আবিব

আপডেট সময় : ০৫:০০:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

লেবাননের বিভিন্ন শহরে ইসরাইলের অব্যাহত আগ্রাসনের কঠোর জবাব দিতে গিয়ে প্রতিবেশী দেশটির তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, তাদের এই পাল্টা হামলায় ইসরাইলের একাধিক সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। তবে তেল আবিবের পক্ষ থেকে এই আক্রমণের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

হিজবুল্লাহ তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে পৃথক তিনটি পোস্টে এই হামলার বিস্তারিত তথ্য দিয়েছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, গোলান মালভূমির নাফাহ ঘাঁটিতে একটি ‘বৃহৎ ক্ষেপণাস্ত্র’ আঘাত হেনেছে। একই সঙ্গে, উত্তর ইসরাইলের মেরন এবং রামাত ডেভিড বিমান ঘাঁটিতেও ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়েছে।

সংগঠনটি আরও জানিয়েছে, লেবাননে ইসরাইলের আগ্রাসী কার্যকলাপের প্রতিক্রিয়াস্বরূপ এই হামলা চালানো হয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এই হামলার দাবির সত্যতা নিশ্চিত করেনি বা কোনো মন্তব্যও করেনি। এই ঘটনার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।