ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

পূর্ব চীন সাগরে উত্তেজনা: জাপানের জলসীমায় চীনা মাছধরা ট্রলার জব্দ, আটক ১১

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১২:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

তাইওয়ান ইস্যু নিয়ে বেইজিং ও টোকিও’র মধ্যকার চলমান স্নায়ুযুদ্ধের মধ্যেই পূর্ব চীন সাগরে একটি চীনা মাছধরা নৌযান জব্দ করেছে জাপানের কোস্টগার্ড। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জাপানের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইইজেড) থেকে ক্যাপ্টেনসহ মোট ১১ জন নাবিককে আটক করা হয়।

জাপানি কোস্টগার্ডের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, কিউশু দ্বীপের নাগাসাকি জেলা সংলগ্ন সমুদ্রসীমায় নিয়মিত টহল দেওয়ার সময় চীনা নৌযানটির উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়। জাপানের নিজস্ব জলসীমায় অননুমোদিত প্রবেশের অভিযোগে কোস্টগার্ড বাহিনী সেটিকে থামার সংকেত দেয়। তবে সংকেত উপেক্ষা করে নৌযানটি দ্রুত পালানোর চেষ্টা করলে শুরু হয় ধাওয়া। একপর্যায়ে জাপানি বাহিনী সেটিকে নিয়ন্ত্রণে নিতে সক্ষম হয়।

আটককৃতদের মধ্যে নৌযানটির ক্যাপ্টেন এবং ১০ জন মৎস্যজীবী রয়েছেন। বর্তমানে তারা সবাই জাপানি প্রশাসনের হেফাজতে আছেন। তাদের বিরুদ্ধে জলসীমা লঙ্ঘন ও সরকারি নির্দেশ অমান্য করার দায়ে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে তাইওয়ান প্রণালী ও পূর্ব চীন সাগরে বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান সামরিক ও বাণিজ্যিক তৎপরতা নিয়ে টোকিও দীর্ঘ দিন ধরে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে এই নৌযান জব্দের ঘটনা দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান কূটনৈতিক টানাপোড়েনকে আরও উসকে দিতে পারে বলে ধারণা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালের কড়াপুর মিয়াবাড়ি মসজিদ: ব্রিটিশবিরোধী সংগ্রামের স্মৃতি বিজড়িত এক স্থাপত্য

পূর্ব চীন সাগরে উত্তেজনা: জাপানের জলসীমায় চীনা মাছধরা ট্রলার জব্দ, আটক ১১

আপডেট সময় : ০২:১২:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

তাইওয়ান ইস্যু নিয়ে বেইজিং ও টোকিও’র মধ্যকার চলমান স্নায়ুযুদ্ধের মধ্যেই পূর্ব চীন সাগরে একটি চীনা মাছধরা নৌযান জব্দ করেছে জাপানের কোস্টগার্ড। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জাপানের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইইজেড) থেকে ক্যাপ্টেনসহ মোট ১১ জন নাবিককে আটক করা হয়।

জাপানি কোস্টগার্ডের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, কিউশু দ্বীপের নাগাসাকি জেলা সংলগ্ন সমুদ্রসীমায় নিয়মিত টহল দেওয়ার সময় চীনা নৌযানটির উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়। জাপানের নিজস্ব জলসীমায় অননুমোদিত প্রবেশের অভিযোগে কোস্টগার্ড বাহিনী সেটিকে থামার সংকেত দেয়। তবে সংকেত উপেক্ষা করে নৌযানটি দ্রুত পালানোর চেষ্টা করলে শুরু হয় ধাওয়া। একপর্যায়ে জাপানি বাহিনী সেটিকে নিয়ন্ত্রণে নিতে সক্ষম হয়।

আটককৃতদের মধ্যে নৌযানটির ক্যাপ্টেন এবং ১০ জন মৎস্যজীবী রয়েছেন। বর্তমানে তারা সবাই জাপানি প্রশাসনের হেফাজতে আছেন। তাদের বিরুদ্ধে জলসীমা লঙ্ঘন ও সরকারি নির্দেশ অমান্য করার দায়ে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে তাইওয়ান প্রণালী ও পূর্ব চীন সাগরে বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান সামরিক ও বাণিজ্যিক তৎপরতা নিয়ে টোকিও দীর্ঘ দিন ধরে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে এই নৌযান জব্দের ঘটনা দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান কূটনৈতিক টানাপোড়েনকে আরও উসকে দিতে পারে বলে ধারণা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।